মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

বানিয়াচঙ্গে ট্রিপল মার্ডার মামলার রায় ॥ ৪ ঘাতকের যাবজ্জীবন

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৯
  • ৯৪৮ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচং উপজেলায় ট্রিপল মার্ডারের দুই মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম নাসিম রেজা এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওই উপজেলার পুরান পাথাড়িয়া গ্রামের হাজী ইসমাইলের ছেলে করম আলী, হেলিম উল্লাহর ছেলে আলী মোহাম্মদ, আব্দুল হাসেমের ছেলে সুরুজ আলী, সঞ্জব আলীর ছেলে তোরাব আলী। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল আহাদ ফারুক। তিনি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার সুত্রে জানা যায়, উপজেলার পুরান পাথারিয়া গ্রামের আলী মোহাম্মদ এবং করম আলীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ১৯৯৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর করম আলীর অনুসারী সায়েদ বিরোধপূর্ণ জমির পুকুরে হাত মুখ-ধুতে যান। এ সময় আলী মোহাম্মদের সঙ্গে কথা কাটিকাটি হয়।
এর জের ধরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আলী মোহাম্মদের সমর্থক নুর মোহাম্মদ ঘটনাস্থলে নিহত হন। সেই সঙ্গে করম আলীর সমর্থক শামসুল হককে গুরুতর আহত অবস্থায় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
অপর আহত আফিল উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। নুর মোহাম্মদ হত্যার ঘটনায় আলী মোহাম্মদ বাদী হয়ে ১শ জনকে আসামি করে মামলা করেন। অপর পরে আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যায় আতিকুনেচ্ছা বাদী হয়ে ৪৬ জনকে আসামি করে একই দিন আরেকটি মামলা করেন।
উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বানিয়াচং থানার তৎকালীন এসআই অমরেন্দ্র মল্লিক ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট নুর মোহাম্মদ হত্যায় ১০৩ জনকে এবং আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যায় ৬২ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেন।
আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যা মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৭ জনের মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে বৃহস্পতিবার রায় দেন বিচারক। রায়ে তোরাব আলী, সুরুজ মিয়া ও আলী মোহাম্মদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
অপরদিকে, একই ঘটনায় দায়েরকৃত নুর মোহাম্মদ হত্যা মামলায় ১৬ জনের মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায় দেন বিচারক। রায়ে করম আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com