সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

নবীগঞ্জে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ঘরবাড়ি হারানো পরিবারগুলোর দুর্দশা চরমে ॥ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে চাল ও টাকা বিতরণ

  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৫
  • ৬৩২ বা পড়া হয়েছে

এটিএম সালাম, নবীগঞ্জ থেকে ॥ নবীগঞ্জের করগাও ইউনিয়নে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে চাল ও টাকা বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকালে নবীগঞ্জ অভয়নগরস্থ খাদ্য গুদামে এ চাল ও নগদ টাকা বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী। এ সময় নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ মিলু, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু দাশ রানা, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা রূপালী দাশ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আমিনুর রহমান সুমন, ইউপি চেয়ারম্যান ছাইম উদ্দিন, ইউপি সদস্য দিলাওর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। ওই ইউনিয়নে সম্পুর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত ৪০টি পরিবারকে ২০ কেজি চাল ও নগদ ৫শত টাকা এবং ৮৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে শুধু ২০কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।
এদিকে কালবৈশাখী ঝড়ে বিপর্যস্থ হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সরবরাহ ৪ দিনেও সম্ভব হয়নি। তবে গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে ৪ টার দিকে বিকল্প ব্যবস্থায় শুধুমাত্র নবীগঞ্জ পৌর শহরে বিদ্যুত সরবরাহ দেয়া হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কবে নাগাদ দেয়া হবে তা এখনও কিছু বলতে পারছেনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত অসংখ্য পরিবার এখনো মাথা গোজার ঠাই করতে পারেনি। তাদের দুর্দশা চরমে পৌছেছে। সরকারীভাবে পুনর্বাসন করা না হলে অনেক পরিবারের দ্বারা তা সম্ভব হবে না বলে তারা জানান। সরকারী হিসাবে যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান রিরূপন করা হয়েছে বেসরকারী হিসাবে তা আরো বেশী হবে বলে জানান স্থানীয়রা।
অপরদিকে গত বুধবারের বৃষ্টিপাতের কারণে উপজেলার দীঘলবাক, আউশকান্দি ও পানিউমদা ইউনিয়নসহ বেশ ক’টি ইউনিয়নের হাওরে জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এছাড়া ধান কাটার জন্য প্রয়োজনীয় শ্রমিক না পাওয়ায় কৃষকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com