সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

  • আপডেট টাইম সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বা পড়া হয়েছে

মাধবপুর প্রতিনিধি ॥ মাধবপুর উপজেলার ৮ নম্বর বুল্লা ইউনিয়নের উজ্জ্বলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে মোট ৫৭ জন শিক্ষার্থী থাকলেও শ্রেণিকক্ষ রয়েছে মাত্র দুটি। ফলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাধ্য হয়ে দুই শিফটে পাঠদান পরিচালনা করতে হচ্ছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৫৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ৭ জন, প্রথম শ্রেণিতে ৯ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৯ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ১৪ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ৮ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ১০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সংকট দীর্ঘদিনের। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ পাওয়া ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা দিয়ে প্রায় ৫০ ফুট দ্ধ ৯ ফুট আয়তনের একটি টিনশেড কক্ষ নির্মাণ করা হয়। তবে গরমের সময় টিনশেড কক্ষটি অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে পড়ায় সেখানে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে শ্রেণিকক্ষ সংকটের স্থায়ী সমাধান হয়নি; বরং গরমের মৌসুমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। স্থান সংকুলান না হওয়ায় বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম দুই শিফটে পরিচালনা করা হয়। প্রথম শিফট সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় শিফট দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ে অবস্থান, পর্যাপ্ত জায়গার অভাব এবং প্রচণ্ড গরমে টিনশেড কক্ষে পাঠদান সব মিলিয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফনিন্দ্র দাস জানান, বর্তমানে তিনি ছাড়াও বিদ্যালয়ে দুইজন সহকারী শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। সীমিত সংখ্যক শ্রেণিকক্ষের কারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের জন্য স্বাভাবিক ও আরামদায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু উজ্জ্বলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনের তুলনায় শ্রেণিকক্ষ অপ্রতুল। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমে টিনশেড কক্ষে শিশুদের পাঠদান করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে।
অভিভাবক ও স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শ্রেণির সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত নতুন পাকা শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বর্তমান অবকাঠামো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উপযোগী শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
স্থানীয়দের মতে, গ্রামীণ এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ আরও সহজলভ্য ও মানসম্মত করতে শুধু শিক্ষার্থী ভর্তি বাড়ালেই হবে না; এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।

 

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com