বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নবীগঞ্জে শ্মশান ঘাট থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার বানিয়াচংয়ে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে নৌকাডুবি ॥ যুবকের মৃত্যু মাধবপুরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত পোল্ট্রি খামারিরা অটোরিকশা চালকের সঙ্গে স্থানীয়দের বিরোধ ইনাতগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নোমান আহমেদকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ নবীগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন ॥ উপজেলা সভাপতি রঙ্গলাল, সম্পাদক নীলকন্ঠ পৌর শাখায় সভাপতি মৃণাল ও সম্পাদক বিভূ বানিয়াচঙ্গের সন্দলপুর ভারত চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফল বিপর্যয় চৌধুরী বাজারের কাচামাল হাটায় জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ অভিযান উচ্ছেদ ও জরিমানা হবিগঞ্জে ডিজিটাল জামিননামা কার্যক্রম নিয়ে আইনজীবী সহকারীদের প্রশিক্ষণ হবিগঞ্জে স্বপ্ন সোসাইটির বৃক্ষ রোপন চুনারুঘাটে শাশুড়ী হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদন্ড

মাধবপুরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত পোল্ট্রি খামারিরা

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বা পড়া হয়েছে

মাধবপুর প্রতিনিধি ॥ মাধবপুর উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপাকে পড়েছেন পোল্ট্রি খামারিরা। খামার মালিকদের অভিযোগ, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে ও রাতে মিলিয়ে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে খামারে থাকা মুরগির স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারিরা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রচন্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় খামারের ফ্যান, কুলিং সিস্টেম ও পানির সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে খামারের ভেতরে তাপমাত্রা বেড়ে মুরগিগুলো অস্থির হয়ে পড়ছে। অনেক খামারিকে বাধ্য হয়ে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করতে হচ্ছে, এতে উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে।
মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের খামারি আশফাক হক বলেন, “আমার খামারে প্রায় ৩ হাজার ব্রয়লার মুরগি রয়েছে। দিনে-রাতে ৫-৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। গরমে মুরগিগুলো হাঁপিয়ে ওঠে। কয়েকটি মুরগি মারা গেছে। প্রতিদিনই ক্ষতির মুখে পড়ছি।” লোডশেডিং এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। জেনারেটর চালিয়ে খামার সচল রাখতে হচ্ছে। ডিজেলের খরচ বেড়ে যাওয়ায় লাভ তো দূরের কথা, মূলধন রক্ষা করাই কঠিন হয়ে গেছে।”
অপর খামারি নাজমু হক বলেন, “বিদ্যুৎ না থাকলে পানির মোটর বন্ধ থাকায় মুরগিরা ঠিকমতো পানি পায় না। এ অবস্থায় খামার পরিচালনা করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। “ব্যাংক ঋণ নিয়ে খামার করেছি। কিন্তু ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে। দ্রুত সমাধান না হলে অনেক খামারি ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবেন।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মিঠুন সরকার জানান, মাধবপুরে ১১ টি ইউনিয়নে শতাধিক পোল্ট্রি খামার রয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে খামারি পড়েছে মারাত্মক অসুবিধায়।
এ বিষয়ে মাধবপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম (অপারেশন) ইউসুফ আলী বলেন, “জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুতের সরবরাহ কম পাওয়ায় নির্দিষ্ট সময় লোড ম্যানেজমেন্ট করতে হচ্ছে। এছাড়া কিছু এলাকায় রণাবেণ কাজও চলছে। পরিস্থিতি উন্নয়নে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”
খামারিরা বলছেন, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পোল্ট্রি শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যথায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারগুলো মারাত্মক সংকটে পড়বে এবং এর প্রভাব বাজারে মুরগি ও ডিমের সরবরাহেও পড়তে পারে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com