স্টাফ রিপোর্টার ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নে অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে চালকের সঙ্গে স্থানীয়দের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নোমান আহমেদকে জড়িয়ে একটি অসাধু চক্র মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত রোববার (৯ আগস্ট) ইনাতগঞ্জ আলীগঞ্জ থেকে অটোরিকশায় যাত্রী নিয়ে কাকুড়া চৌরাস্তায় পৌঁছান চালক মজনু মিয়া (৪৪)। তিনি কাকুড়া গ্রামের মৃত মানিক মিয়ার ছেলে। সেখানে যাত্রীদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করাকে কেন্দ্র করে তাঁর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে চালক মজনু মিয়া স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাঁকে গালাগাল বন্ধ করার অনুরোধ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে মজনু মিয়া সামান্য আহত হন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নোমান আহমেদকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নানা ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে নোমান আহমেদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোমান আহমেদও বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ওই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ স্থানীয় একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতাও নেই।
নোমান আহমেদের দাবি, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনাকে তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। নির্বাচনে তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতাকে বাধাগ্রস্ত করতেই এ ধরনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা সত্ত্বেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর নাম জড়ানো অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।