সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

মাধবপুরে নামিদামী হোটেল গুলোতে নিম্নœমানের খাবার বিক্রি

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৭০৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাধবপুর পৌর শহরের নামিদামী হোটেল গুলোতে বিক্রি করা হচ্ছে ভেজাল খাবার। পচা-বাসি খাবার বিক্রি হচ্ছে অবাধে। দেখার যেন কেউ নেই। হোটেল গুলোর রান্না করার জায়গাটিও অপরিচ্ছন্ন। মাছি উড়তে দেখা যায়। খাবারের দাম ও নেওয়া হচ্ছে গলাকাটা। খাবারের তুলনায় দাম অনেক বেশি বলে অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন। খাবারের নেই কোন মূল্য তালিকা। কয়েক টি টেবিলে পুরাতন কিছু ম্যানুর দাম লেখা থাকলে ও বাস্তবে এর সাথে মিল নেই। যার ফলে হোটেল কর্তৃপক্ষ নিজেদের মনগড়ামত বিল করেন। গলাকাটা রেটে ব্যবসা করে মাধবপুর বাজারে কয়েক বছর হোটেল চালিয়ে অনেকে দুই থেকে তিন টি হোটেলের মালিক হয়ে গেছেন। দেখা যায়, খাবারের টেবিল গুলোতে সব সময় উড়ছে মাছি। রান্না করার পাশেই বাথরুম। রান্নার জায়গাটিও অপরিচ্ছন্ন। হোটেল বয়দের কোন প্রকার হাত গ্লাপস ও মাথায় নেই হেড পট। যার ফলে প্রায় সময় খাবারে চুল পরতে দেখা যায়। মাঝে মাঝে খাবারে চুল দেখা গেলেও হোটেল কর্তৃপক্ষ খাবার ফেরত নিতে চান না। শেখ জাহান রনি নামে এক যুবক জানান, হোটেলে গলাকাটা দাম রাখা হয়। খাবারের মানও ভাল নয়। হোটেল বয়দের হাতে লেগে থাকে ময়লা। মাথায় হেড পট ও হাতে হ্যান্ড গ্লাপস থাকে না। প্রায় সময় খাবারে চুল ও মাছি দেখা যায়। রান্নার পরিবেশও অত্যান্ত নোংরা। পৌর শহরের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন জানান, মাধবপুরে বাজারে কয়েক বছর হোটেল ব্যবসা করতে পারলে অনেকেই গাড়ি বাড়ির মালিক হয়ে যান। একটি হোটেল থেকে অনেকে ২/৩ টি হোটেলের মালিক হয়ে গেছে। হোটেলে গেলে দেখা যায় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের অবাধে আড্ডা। ঘন্টার পর ঘন্টা শিক্ষার্থীরা আড্ডা দিতে থাকলে হোটেল কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেন না।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্যানিটেশন কর্মকর্তা মুহিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পৌর সভার ভিতর যে হোটেল গুলো রয়েছে সে গুলো দেখেন পৌর স্যানিটেশন কর্মকর্তা। পৌর স্যানিটেশন কর্মকর্তা সরজিত রায় জানান, শিঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে।
মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আয়েশা আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শিঘ্রই অপরিচ্ছন্ন হোটেল গুলোতে অভিযান চালানো হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com