শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ সড়ক এখন মরণ ফাদঁ কাজ নিয়ে তদন্তের দাবী ॥ আজ মানববন্ধন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে গোলাম মোস্তফা রফিকসহ ৩ জনের মৃত্যুতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে এমপি ফয়সল ও শাম্মী আক্তারের শোক নবীগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চার গ্রামের পঞ্চায়েতের কবরস্থান দখলের অভিযোগ শহরে রাজনগর ও আনোয়ারপুরে দুই দল যুবকের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বানিয়াচং দক্ষিণ আঞ্চলিক শ্রমিক কমিটি গঠন আবুল কাশেম আহবায়ক, রুবেল মিয়া সদস্য সচিব বাহুবলের রাবার বাগান কর্মী মোশাররফের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সরকারি সম্পদ লুটের অভিযোগ নবীগঞ্জে সারের ডিলার পয়েন্টে বিশেষ অভিযান ॥ জরিমানা চুনারুঘাটে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ॥ মালামাল লুট হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ॥ গ্রেপ্তার ৪

শায়েস্তাগঞ্জের কুটিরগাওয়ে ভূমি নিয়ে বিরোধ ॥ সংঘর্ষের আশঙ্কা এলাকাবাসী

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৬৩৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কুটিরগাও গ্রামের এক নিরীহ ব্যক্তির ভূমি দখলের পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। ইতিপূর্বে এ নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আদালতে চলছে মামলা-মোকদ্দমা। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। জানা যায়, চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা মৌজার জে.এল নং-১২, এস.এ খতিয়ান নং-৫১২, আর.এস খতিয়ান নং-৯২, এস.এ দাগ নং-৬৯৭, আর.এস দাগ নং-৪১৪, মোট মোয়াজী-৪২ শতকের মধ্যে পশ্চিমাংশে ২৪ শতক সাইল রকম ভূমির খরিদা সূত্রে মালিক শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কুটিরগাও গ্রামের মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। ওই ভূমি ১৯৬৫ সাল থেকে আব্দুর রাজ্জাক ভোগ দখল করে আসছেন। বর্তমানে তার পুত্র মোঃ বাবুল মিয়া গংরা ভোগ দখল করছেন। বর্তমান আর.এস পরচাও মোঃ বাবুল মিয়া গংদের নামে রয়েছে। কিন্তু ২০১৩ সালে উবাহাটা ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামের মৃত অখিল চন্দ্র পালের পুত্র নিখিল চন্দ্র পাল উল্লেখিত ভূমিসহ বিভিন্ন দাগে ৬৩০ শতক ভূমির উপর আদালতে একটি স্বত্ত্ব মামলা দায়ের করেন। যার নং- ৬৯/১৩। মামলাটি আদালত কর্তৃক খারিজ হলে ২০১৪ সালে উল্লেখিত ২৪ শতক ভূমিসহ শতাধিক শতক ভূমির উপর একই আদালতে আবারও একটি স্বত্ত্ব মামলা দায়ের করেন নিখিল চন্দ্র পাল। যার মামলা নং- ১০০/১৪ইং।
এদিকে, ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর উবাহাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রজব আলী নিখিল চন্দ্র পাল ও তাঁর ভাই হরি চন্দ্র পালকে একটি ওয়ারিশান সনদ প্রদান করেন। এরপর থেকে উক্ত ভূমি দখলে নেয়ার পায়তারা করা হয়। এ অবস্থায় ভূমিটির মালিক মোঃ বাবুল মিয়া গং আদালতে একটি স্বত্ত্ব মামলা দায়ের করেন। যার নং- ১২৫/১৬ইং। স্বত্ত্ব মামলাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর চেয়ারম্যান রজব আলীর পুত্র রাসেল আহমেদ এর সাথে নিখিল চন্দ্র পালের একটি রেজিষ্ট্রি বায়নাপত্র দলিল সম্পাদিত হয়। বিষয়টি আদালতের দৃষ্টিগোচর করা হলে দলিল দাতা নিখিল চন্দ্র পাল ও দলিল গ্রহীতা রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারী করেন আদালত। কিন্তু তারা নোটিশের কোন জবাব না দিয়েই ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর নিখিল চন্দ্র পাল ও চেয়ারম্যান রজব আলীর পুত্র রাসেল আহমেদের মধ্যে একটি রেজিষ্ট্রি দলিল সম্পাদিত হয়। বিষয়টি আদালতের দৃষ্টিগোচর করা হলে উক্ত ভূমির উপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়। গত ৪ ডিসেম্বর ওই ভূমির দখল নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
উল্লেখ্য, ওই ভূমির রেকর্ডিও মালিক ছিলেন উবাহাটা ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামের সুকাইপালের পুত্র মনিন্দ্র চন্দ্র পাল, যোগেন্দ্র চন্দ্র পালের পুত্র আশুতোষ ও বঙ্ক চন্দ্র পালের স্ত্রী শ্যামদা সুন্দরী। রেকর্ডিও মালিক মনিন্দ্র চন্দ্র পাল তার ন্যায্য অংশ (২৪শতক) ১৯৬৫ সালে আব্দুর রাজ্জাকের নিকট বিক্রি করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com