সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

বাল্লা সীমান্তে খোয়াই তীর সংরক্ষণে বেসামাল দুর্নীতি

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৩ জুন, ২০১৫
  • ৬২৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, চুনারুঘাট থেকে ॥ খোয়াই তীর সংরক্ষণে বেসামাল দুর্নীতি চলছে বাল্লা সীমান্তে। যেন-তেনভাবে সিসি ব্লক স্থাপন করে কোটি টাকা লুটপাটের নীল নকশা চুড়ান্ত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহায়তায় ঠিকাদাররা আঁট-ঘাট বেঁধে সরকারী টাকা লুটপাটে মাঠে নেমেছেন। এসব বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে অভিযোগ করেও ফায়দা মিলছে না। প্রকারান্তরে প্রতিবাদকারীদেরকে চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসানোর হুমকী দিচ্ছে পাউবি’র সাইট অফিসার ও ঠিকাদার। চলতি অর্থ বছরে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা সীমান্তে ভারত থেকে প্রবাহিত খোয়াই নদীর করাল গ্রাস থেকে বাল্লা স্থল বন্দর, চেকপোষ্ট ও ১০টি গ্রাম রক্ষার জন্য প্রকল্প গ্রহন করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরই ধারাবাহিকতায় গত মে মাসে সীমান্তের টেকেরঘাট গ্রামের কাছে ১৯৬৪ পিলার বরাবর ৩৮ মিটার এলাকা জুড়ে সিসি ব্লক ফেলেন স্থানীয় এক ঠিকাদার। এ কাজে পাউবি’র সাইট অফিসার সার্বক্ষণিক তদারকিতে থাকার পরও ঠিকাদারের নিজস্ব ভাটার বে নম্বরী ইটের খোয়া, নিম্ন মানের কার্পেট ও পুরাতন পাথরের খোয়া দিয়ে সিসি ব্লক বানিয়ে ওই ৩৮ মিটার তীর সংরক্ষণ করেন ঠিকাদার। যা চলতি বর্ষায় আবারো পানির তুড়ে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ওই স্থানে বিগত সময়ে ১ কোটি টাকার পাথর সলিং কাজ করেছিল পাউবি। বর্তমানে একই সীমান্তের ১৯৬৫ পিলারের কাছে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয়ে আরো ৮০ মিটার তীর সংরক্ষণের কাজ করাচ্ছেন একই ঠিকাদার। এখানেও পূর্বে ১ কোটি টাকা ব্যয়ে পাথর সলিং-এর কাজ হয়েছিলো। এ ছাড়া সীমান্তের মোকামঘাট এলাকায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরো ২শ মিটার নদীর তীর সংরক্ষণের কাজ চলছে। এখানেও বিগত সময়ে ২ কোটি টাকার পাথর সলিং কাজ করানো হয়েছিলো। বাল্লা সীমান্তে একই স্থানে কখনো পাথর সলিং কখনো সিসি ব্লক দিয়ে তীর সংরক্ষণের নামে সরকারের কোটি টাকা লুটপাট বিষয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় একাধিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু সরকারী টাকা লুটপাট চলছে একই কায়দায়। কার স্বার্থে সরকারী টাকার হরিলুট চালানো হচ্ছে এ বিষয়ে স্থানীয়রা কোন উত্তর পাচ্ছেন না ঠিকাদার বা পাউবো’র কাছ থেকে। পাউবো কাজের কোন সিডিউল প্রদর্শন করতেও নারাজ। কেন বার বার কোটি কোটি টাকা খরচ করে একই স্থানে সরকারী টাকায় পাথর সলিং উঠিয়ে সিসি ব্লক স্থাপন করা ”চ্ছ এ বিষয়ে পাউবো’র সাইট অফিসার মান্নান কোন উত্তর না দিয়ে বলেন, সাংবাদিকরা পাউবো’র কাজের কি বুঝে ? তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা কি ডাক্তার না ইঞ্জিনিয়ার যে পাউবো’র কাজ বুঝে? তিনি চা-পানের পয়সা নিয়ে সাংবাদিকদেরকে সটকে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com