বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

উচাইলে বোন জামাতার বিরুদ্ধে কিশোর ভাইকে হত্যার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ৬৭৬ বা পড়া হয়েছে

কাজী মিজানুর রহমান ॥ হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উচাইল চারিনাও গ্রামে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে বোন ও বোন জামাতার হাতে কিশোর ভাইকে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া তার শরীরে ও অন্ডকোষে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ নিয়ে দুই থানার মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। অবশেষে সদর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরি করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনা নিয়ে ওই এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। ওই গ্রামের মৃত ফজল মিয়া (১৫) এর পিতা সুরত আলী জানান, গত রবিবার তার ১ম স্ত্রীর ঘরের কন্যা সেলিনা আক্তার (২৫) ও তার স্বামী ইছাক আলী ভৈরব বেড়ানোর কথা বলে ফজলকে তাদের সাথে নিয়ে যায়। এরপরে ফজলের কোন হদিন পাওয়া যায়নি। ফোনে যোগাযোগ করলেও কোন সুউত্তর তারা দেয়নি। গত মঙ্গলবার রাত ১২টার সময় সেলিনা, ইছাক ও কামাল মিয়া ফজলের রক্তমাখা লাশ সেলিনার রান্না ঘরের পাশে ফেলে রেখে তাদেরকে জানায়। সময় তারা ধারণা করেন ফজলকে তারা পৈত্রিক সম্পত্তির লোভে লোমহর্ষকভাবে হত্যা করেছে। কিন্তু তারা জানায় কে বা কারা তাকে হত্যা করে লাশ ভৈরব ফেলে রাখে। পরে তারা লাশ নিয়ে বাড়ি আসে। এ ঘটনা ভৈরব থানার ওসিকে জানালে তিনি বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই। হবিগঞ্জ থানাকে অবগত করেন। হবিগঞ্জ থানার ওসি বলেন ভৈরব থানাকে অবগত করেন। এ নিয়ে দুই থানায় শুরু হয় লাশ নিয়ে টানাটানি। বৃদ্ধ সুরত আলী নিরূপায় হয়ে সদর থানায় অভিযোগ দিলে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এসআই ছানা উল্লাহ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। লাশের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নাক, মুখ তেতলানো ও ফজলের অন্ড কোষে আঘাত রয়েছে। সুরত আলী আরো জানান, তার পুত্রকে পরিকল্পিতভাবে তার মেয়ে সেলিনা, জামাই ইছাক আলী ও সহযোগী কামাল মিয়া, বাচ্চু মিয়া হত্যা করে লাশ ফেলে রাখে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করার পর থেকে উল্লেখিতরা গা ঢাকা দিয়েছে। এ ব্যাপারে দারোগা ছানা উল্লাহ জানান, লাশের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে হত্যা। তবে এ মুর্হুতে কিছু বলা যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com