বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

করোনায় স্থান বদল ॥ ঢাকা ফেরত নিপেন্দ্র গ্রামের বাজারে এখন ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রেতা

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০
  • ৫৯৬ বা পড়া হয়েছে

আবুল কাসেম, লাখাই থেকে ॥ বৈশি^ক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে অনেকেই হয়ে পড়েছে কর্মহীন। বন্ধ হয়ে পড়েছে রোজিরোজগার। কিভাবে চলবে তাঁদের পরিবার সংসার এ নিয়ে চিন্তার ভাজ পরেছে। এমনি একজন চা বিক্রেতা নিপেন্দ্র। ভালই চলছিল তার চার সদস্য বিশিষ্ট পরিবারটি। তিনি থাকতেন ঢাকায়। করতেন চা বিক্রি। যা ইনকাম হত তা দিয়ে নিজে ও পরিবার চলত। হঠাৎ করে করোনা ভাইরাস এসে সব কিছু যেন শেষ করে দিল তার। কর্মহীন হয়ে পরেন তিনি। অনেক চিন্তা ও কষ্টে দিন যায়। ঢাকা শহর ছেড়ে চলে আসেন গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার পূর্ব বুল্লা গ্রামে। এসে শুরু করেন স্থানীয় বুল্লা বাজারে ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রি। কথা হয় নিপেন্দ্রর সাথে। তিনি জানান, আমি থাকতাম ঢাকায়। করতাম চা বিক্রি। যা রোজি হত তা দিয়ে নিজে ও পরিবার চলত। এখন করোনা ভাইরাস আসার কারনে ঢাকায় তেমন একটা রোজি রোজগার হয় না। বাসা ভাড়া ও নিজে চলা অসম্ভব হয়ে পরে। তাই চলে আসলাম গ্রামে। এসে কোন রোজি রোজগার পথ না পেয়ে এখন বাজারে ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রি করি। প্রতিদিন ৮০ থেকে ৯০ কাপ চা বিক্রি করে একশ থেকে দেড়শ টাকা যা-ই পাই তা দিয়ে কোন রকম সংসার ও পরিবার চলে। ওই বাজারের আরেক ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রেতা নান্টু সাথে আলাপ কালে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন বাজারের একটি মিষ্টির দোকানে তিনি শ্রমিক ছিলেন। করোনাকালে দোকান মালিকের পুষিয়ে উঠার মত বেচা বিক্রি না হওয়ায় তিনি এখান থেকে সরে আসছেন। পরে কোন উপায় না পেয়ে পেট চালানোর তাগিদে ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রি করে আসছেন তিনি। নিপেন্দ্র ও নান্টুর মত আরো অনেকেই এ উপজেলায় বিভিন্ন হাট বাজারে করোনাকালে ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রি করে খুবই কষ্ট করে দিন যাপন করছেন। খেটে খাওয়া এই মানুষেরা ক্রান্তিকালে কষ্ট করে দিন কাটাচ্ছেন। এখনো ঠিকমতো আয় করতে পারছেন না, কবে পরি¯ি’তি স্বাভাবিক হবে, সে নিয়েও রয়েছে তাদের মাঝে অনিশ্চয়তা। তবু প্রত্যেকেই মনে করেন। এই অসময় কেটে যাবে। তাঁরাও স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবেন। আয়ও বাড়বে। অল্পে তুষ্ট এই মানুষদের কথায় তাই দুঃসময়ের দুঃখগাথার সঙ্গে ফুটে ওঠবে সুদিনের প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com