বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় লাখাইয়ের ফুকন-জাহেদ আটক

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৭১৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ লাখাইয়ে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন-লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ফুকন (৭৫) ও একই গ্রামের জাহেদ উদ্দিন (৭৫)। একই গ্রামের মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার ইলিয়াস কামাল এর ২০১৫ সালের ৪ অক্টোবর দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় তাদেরকে আটক করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লাখাই থানার ওসি মো. বজলার রহমান বলেন, মামলার প্রেক্ষিতে তাদেরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।  গ্রেফতারি পরোয়ানার কপি হাতে পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এই মামলায় অপর আসামিরা হলেন, একই গ্রামের মাওলানা সফিউদ্দিন এবং জিরুন্ডা গ্রামের মো. ছালেক মিয়া ওরফে ছায়েক মিয়া। এছাড়া আরো কয়েকজনকে পরোক্ষ আসামী করা হয়েছে।
মামলার বাদী মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার ইলিয়াস কামাল অভিযোগে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ৩০ ও ৩১ অক্টোবর মাওলানা সফি উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা লাখাই উপজেলার মানপুর ও মুড়িয়াউক গ্রামে অভিযান চালায়। তারা পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর পিতা (ইলিয়াস কামালের পিতা) ইদ্রিছ মিয়া ও সহযোদ্ধা শাহজাহান মিয়ার বাবা আব্দুল জব্বারসহ গ্রামের অসংখ্য মানুষকে ধরে নৌকায় করে নিয়ে যায়। তাদেরকে মাওলানা সফি উদ্দিনের বাড়ির টর্চার সেলে রেখে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। পরে অনেককে ছেড়ে দিলেও মুক্তিযোদ্ধার পিতা হওয়ায় ইদ্রিছ মিয়া ও আব্দুল জব্বারকে আটক রেখে ফের নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় হানাদাররা তাদের গুলি করে হত্যার পর জিরুন্ডা মানপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী উজাদুর বিলে মরদেহ ফেলে দেয়।
এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অভিযুক্ত রাজাকারেরা ওই উপজেলার মুড়িয়াউক, মানপুর, জিরুন্ডা, কৃষ্ণপুর, গদাইনগর, চন্ডিপুর, ভবানীপুরসহ আশপাশের গ্রামে লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, নৃশংস গণহত্যা ও শারীরিক নির্যাতন চালায়।
এ ব্যাপারে ২০১৫ সালের ৪ অক্টোবর কমান্ডার ইলিয়াস কামাল বাদী হয়ে উল্লেখিতদের আসামী করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমল-৭ এর আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. কাউসার আলম মামলাটি তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত শাখার প্রধান সমন্বয়ক বরাবরে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মামলায় প্রবীণ সাংবাদিক, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ মোট ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com