রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন ॥ রোগী ও স্বজনদের নিকট থেকে শুনেছেন চিকিৎসার বাস্তব চিত্র ॥ ফার্মাসিস্টকে স্ট্যান্ড রিলিজ, বিদেশে থাকা চিকিৎসক স্থায়ী বরখাস্ত নবীগঞ্জে ভাইয়ের হাতে বোন খুন হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজে মারামারির ঘটনায় ॥ ৮ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ইন্দনদাতা ৫ জনকে সতর্ক আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নবীগঞ্জের বুরহানপুর গ্রামের কবরস্থান দখলে রাতের আধারে দেয়াল নির্মাণ ! নবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় একই বিদ্যালয়ের দুই কর্মচারীর মৃত্যু বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মজহার উদ্দিন আর নেই হুইপ জিকে গউছের শোক নবীগঞ্জে ভরপুর গ্রামে সেলিম আহমেদের ক্লাব নিয়ে বিরোধটি শালিসে নিস্পত্তি নোয়াগাও গ্রামের কথিত আ’লীগ নেতা শাহ রায়হানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ॥ বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে সরকারী টিউবওয়েল ও ঘর দেয়ার আশ্বাস॥ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাত ইনাতগঞ্জ সড়ক সংস্কারের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্টিত শহরের আনোয়ারপুর-নোয়াগাঁও দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ২০

শায়েস্তাগঞ্জে আউশের ফলন ভালো ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশ কৃষক

  • আপডেট টাইম রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শায়েস্তাগঞ্জে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের ফলন ভালো হলেও উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। সরকারি গুদামে আউশ ধান সংগ্রহ না করা এবং বাজারে মৌসুমি ফড়িয়া ও মধ্য স্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের কারণে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না বলে অভিযোগ তাঁদের। বর্তমানে শায়েস্তাগঞ্জের বাজারে প্রতি মণ আউশ ধান ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, সার, কীটনাশক, বীজ, জমি প্রস্তুত, সেচ, শ্রমিকের মজুরি, ধান কাটা, মাড়াই ও পরিবহনসহ কৃষির প্রায় সব উপকরণের দাম বেড়েছে। কিন্তু সে তুলনায় ধানের বাজারমূল্য বাড়েনি। শায়েস্তাগঞ্জের কৃষক কাজল বলেন, ‘ধানের ফলন ভালো হয়েছে, কিন্তু লাভ হচ্ছে না। ধান উৎপাদনে যে টাকা খরচ হয়েছে, বাজারে বিক্রি করে সেই টাকাও তুলতে পারছি না।’ কৃষকদের ভাষ্য, ধান ঘরে ওঠার পরপরই সক্রিয় হয়ে ওঠেন মৌসুমি ফড়িয়া ও মধ্যস্বত্বভোগীরা। উৎপাদন খরচের চাপ এবং নগদ টাকার প্রয়োজন থাকায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করেন। সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের পাওনা পরিশোধের চাপ থাকায় ধান মজুত করে রাখার সুযোগও থাকে না। কৃষকদের অভিযোগ, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফড়িয়ারা তাঁদের কাছ থেকে কম দামে ধান কিনে পরবর্তী সময়ে বেশি দামে বিক্রি করেন। এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হলেও মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হচ্ছেন। কৃষকদের দাবি, বাজারে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকরভাবে বাজার তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি আউশ মৌসুমে সরকারি উদ্যোগে ধান সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হলে কৃষকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে পারবেন। এতে উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগও সৃষ্টি হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিনামূল্যে সার ও বীজ দেওয়া হচ্ছে। ফলে চলতি বছর আউশের ফলন ভালো হয়েছে এবং মাঠে সন্তোষজনক ফলন দেখা গেছে। তিনি আরও বলেন, কৃষকরা যাতে তাঁদের উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য পান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com