স্টাফ রিপোর্টার ॥ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি’র আওতায় আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী পদে আওয়ামীলীগ পরিবারের একাধিক সদস্যদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে দলীয় ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গত ৬ আগস্ট আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী কমিটির সভাপতি এস এম রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় তথ্য সংগ্রহকারী পদে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জলসুখা ইউনিয়নে চার জনকে চূড়ান্তভাবে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে রাখা হয়েছে এবং একজনকে রিজার্ভ তালিকায় রাখা হয়েছে। এছাড়া অবশিষ্ট উত্তীর্ণ তালিকায় ১৫ জনের নাম রয়েছে। ওই ১৫ জনের তালিকায় ১২ নম্বর ক্রমিকে রয়েছেন জলসুখা ইউনিয়নের নোয়াগর গ্রামের রঞ্জু মিয়ার ছেলে লায়েছ মিয়া। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মজিদ খানের সঙ্গে বিভিন্ন দলীয় সভা ও কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহণের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তারা। তার বাবা রঞ্জু মিয়া জলসুখা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক। অন্যদিকে, কাকাইলছেও ইউনিয়নের তথ্য সংগ্রহকারীদের অবশিষ্ট ১৬ জনের তালিকায় প্রথম ক্রমিকে রয়েছেন ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হামদু মিয়ার ছেলে এনামুল হক চৌধুরী। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনিও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ঢাকার মিরপুরের প্রাইম ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের কমিটিতে এনামুল হক চৌধুরী একটি পদে ছিলেন বলেও জানা গেছে।