মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

অর্থ সংকটে দেউন্দি বাগান বন্ধের শঙ্কা

  • আপডেট টাইম রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৪৫ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক উর্ধতন কর্তৃপক্ষ টালবাহানা করে ঋণ না দেওয়ার কারণে অর্থ সংকট মাঝে পড়েছে দেউন্দি টি কোম্পানি। শ্রমিকরা সাপ্তাহিক বকেয়া মজুরি না পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বাগান কর্তৃপক্ষ উপর। বকেয়া সাপ্তাহিক মজুরি পরিশোধ না করলে সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য চা শিল্প বন্ধ থাকবে বলে হুশিয়ার করে দিচ্ছেন শ্রমিকরা। জানা যায়, বাংলাদেশের চা খাত এখন বহুমুখী সংকটে মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ঋণ না দেয়ার কারণে অর্থ সংকটের কারণে চা শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি ও স্টাফদের বেতন-ভাতা, ঈদ বোনাস, পূজা উৎসব বোনাস সহ অন্যান্য খরচ দিতে পারছে না বাগান কর্তৃপক্ষ হিমসিম খাচ্ছে। দেউন্দি টি কোম্পানির অধীনে হবিগঞ্জ জেলার লাল চান্দ, নোয়াপাড়া, দেউন্দি চা-বাগান এবং মৌলভীবাজার জেলার মিরথিংগা চা বাগান গত সপ্তাহে সাপ্তাহিক মজুরি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা না দেওয়ায় বাগান কর্তৃপক্ষ উপর অসন্তোষ প্রকাশ করে। তাদের বকেয়া টাকা পরিশোধ না করলে চা বাগান বন্ধ থাকবে। এতে চা শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থাপনা নড়বড়ে হয়ে পড়বে। বাগান সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে ২৭ জানুয়ারি ভোর সকালে লাল চান্দ চা বাগানে বিদ্যুৎ শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে চা কারখানা মেশিন, সরঞ্জাম সহ গুদামের চা পাতা বস্তা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ প্রায় ১১ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত ২০২৪ থেকে চলতি বছর পর্যন্ত কোম্পানির গভীর রাতে ধাপে ধাপে মোট ১৩ টি বড় ট্রান্সফরমার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় কিন্তু এর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অর্ধ কোটি টাকা। এর পর থেকে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ৪০ কোটি টাকা মধ্যে ৩৭ কোটি টাকা দেউন্দি টি কোম্পানিকে দেওয়ার জন্য মঞ্জুর হলে চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ২৫ কোটি টাকা দিচ্ছে চট্টগ্রাম কৃষি ব্যাংক থেকে কিন্তু বাকি ১২ কোটি টাকা ঋণ পাওনা গুলো কৃষি ব্যাংকের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ দেয় দিচ্ছি টালবাহানা শুরু করলে বাগান কর্তৃপক্ষ পড়ছে নানা সমস্যা মহা বিপাকে। অর্থ না দেওয়ার কারণে দেউন্দি টি কোম্পানি অর্থ নৈতিক দৈন্যদশা কারণে চা বাগানের কার্যক্রম অনেকটা বন্ধ রয়েছে। বাকি গুলো চা কারখানা চলছে স্বল্প উৎপাদন ক্ষমতা নিয়ে। তবে কৃষি ও শিল্প উভয় মাধ্যমে চা উৎপাদন হলেও দেশের চা বাগান গুলো রয়েছে বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে। নোয়াপাড়া চা বাগান ব্যবস্থাপক সোহাগ মাহমুদ জানান, চা শ্রমিকদের যখন ১৩৫-১৫০ টাকা দৈনিক মজুরি ছিল। সেই সময় কৃষি ব্যাংক ৬০-৭০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে কিন্তু এখন কৃষি ব্যাংক ঋণ দিতে টালবাহানা শুরু করছে। বর্তমানে চা শ্রমিকের মজুরি ১৮৭ টাকা ৪২ পয়সা হওয়ায় বাগান হিমশিম খাচ্ছে এবং তাদের মজুরি বাড়লে ও চা-পাতা মূল্য বাড়েনি। ফলে কৃষি ব্যাংকে উর্ধতন গাফিলতির কারণে দেউন্দি টি কোম্পানিকে ১২ কোটি টাকা ঋণ না দেওয়ার কারণে চা বাগান শ্রমিকরা বাগান কর্তৃপক্ষ উপর চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com