বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

যাচ্ছে হাঁস-ইলিশ-ছোট মাছ আসছে বিভিন্ন মাদকের চালান

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৭
  • ৭১৬ বা পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ চুনারুঘাট সীমান্তের ১০টি গোপন পথে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। স্থানীয় মধ্যস্বত্ত্বভোগী ও পুলিশের কথিত সোর্সকে ম্যানেজ করে ওই ব্যবসা চালানো হচ্ছে অনেকটা প্রকাশ্যেই। চুনারুঘাট সীমান্তের সাতছড়ি, চিমটিবিল, গুইবিল, বাল্লা ও কালেঙ্গা সীমান্তের ১০টি গোপন পথ দিয়ে আসছে মদ-গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক। এর সাথে আসছে হিরোইন ও ইয়াবা। স্থানীয় মাস্তানদের আসকারায় ওই সীমান্তের আশ-পাশের গ্রামগুলোতে গড়ে উঠেছে মাদকের বড় সিন্ডিকেট। সীমান্তের সাদ্দাম বাজার, চিমটিবিল, চিমটিবিলখাস, টেকেরঘাট, আলীনগর, গোবরখলা, গাজীপুর, ধলাইরপাড়, নয়ানী, সাতছড়ি এলাকায় রয়েছে মাদক পণ্যের বড় আড়ত। ওই এলাকার ২ শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী নানা কায়দায় মাদকের চালান পৌছে দিচ্ছে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। বোরকা ও মুখোশপড়া স্বামী পরিত্যক্তা নারী ও শিশুদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে পাচার কাজে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাঝে-মধ্যে কিছু মাদক ধরা পড়লেও সিংহভাগ মাদকের চালান নানা হাত ঘুরে চলে যাচ্ছে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে। মাদকের চালান পুলিশ আটকাতে পারছেনা। চোরা ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, চুনারুঘাট থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশের কথিত সোর্সদের আসকারায় পুরো মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রিত হয়। সূত্র জানায়, স্থানীয় প্রভাবশালী ফঁড়িয়া মাদক ব্যবসায়ীরা খোয়াই শহরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাঁস, ইলিশ ও ছোট মাছের বিনিময়ে মাদক কিনে এনে গোপন আড়তে জমা রাখে। মধ্যস্বত্ত্বভোগী এবং ওই পুলিশ সদস্যের সোর্স এর গ্রীন সিগন্যাল পেলেই মাদকের চালান পাঠানো হয় উপজেলা সদরে। এরপর সে চালান লাইটেস, বাসে করে চলে যায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। মাদক পাচারে ব্যবহৃত হচ্ছে মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিক্সা ও লাইটেস। প্রতি মাসে আইনশৃঙ্খলা সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালানোর তাগিদ দিচ্ছেন কিন্তু এর সুফল পাচ্ছেন না স্থানীয় সাধারন মানুষ। পুলিশের হাতে মাঝে মাঝে লোক দেখানো কিছু মাদক ধরা পড়লেও ওই জব্দকৃত মাদক কোথায় জমা রাখা হয় তার হদিসও পাওয়া যায় না। গত ১ সপ্তাহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে বিপুল পরিমান গাঁজা। গাজীপুর ইউপি’র বাল্লা, আহম্মদাবাদ ইউপি’র চিমটিবিল খাস ও সাতছড়ি থেকে নিয়ন্ত্রিত হয় মাদক ব্যবসা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com