স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরে আপন ভাই ও মামার বিরুদ্ধে স্বর্ণ ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রবাসীর স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অভিযুক্তরা হচ্ছেন প্রবাসীর স্ত্রী ফাতেমা আক্তার এর আপন ভাই ইফাদ আহমেদ যুবরাজ ও আপন মামা আলমগীর রেজা।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বাদীনি ফাতেমা আক্তার এর স্বামী দুবাই প্রবাসী। ছেলে মেয়ের লেখাপড়ার সুবিধার্থে শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে একাকী থাকেন। তার বাসায় স্বর্ণালংকার নিরাপদ নয় মনে করে তার আপন ভাই ইফাদ আহমেদ সোহাগ ওরফে যুবরাজ এর কাছে ২ ভরি ওজনের স্বর্ণের হার, ১ভরি ওজনের কান দুল জমা রাখেন। পরবর্তীতে অভিযুক্ত ইফাদ আহমেদ সোহাগ ওরফে যুবরাজ এর নিকট সোনার গহণাগুলো ফেরত চাইলে দেই দিচ্ছি বলে টালবাহানা শুরু করেন। বাদিনী বিষয়টি তার মুরুব্বীদের জানালেও দেই দিচ্ছি বলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন। এছাড়া মামা আলমগীর রেজার নিকট আড়াই লাখ টাকা জমা রাখেন। পরবর্তীতে তিনিও জমাকৃত টাকা ফেরত দেন নি।
জানা যায়, বাদিনীর প্রবাসী স্বামীর সহযোগিতায় অভিযুক্ত ইফাদ আহমেদ সোহাগ ওরফে যুবরাজ দুবাই গেলেও বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ার কারণে বেশিদিন দুবাই থাকতে পারেননি। দুবাই এর আইনশৃংখলা বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে জেল জরিমানা করে দেশে পাঠিয়ে দেয়। দুবাই থাকাকালীন হবিগঞ্জের এক সাংবাদিকের ভাইকে দুবাই নেয়ার কথা বলে প্রায় ৩ লাখ আত্মসাতের বিষয়টি পরে আপোসে মিমাংসা করা হয়। তার বাবার বাড়ী কুমিল্লা জেলায় হলেও নানা বাড়ী হবিগঞ্জ হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জে বসবাস করে আসছেন।
ছাত্রজীবনে তিনি বৃন্দাবন সরকারী কলেজে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বেপরোয়া আচরণের কারণে তার বাবা প্রায় ১৫ বছর আগে তাকে ত্যাজ্যপুত্র করেছিলেন বলে জানা যায়।