বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

বাহুবলের বাবনাকান্দি গ্রামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার পরিবারের দাবি হত্যা

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৩৭ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাহুবলের বাবনাকান্দি গ্রাম থেকে তাজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহত তাজুল ইসলামের পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবনাকান্দি গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী সূত্র জানায়, বাবনাকান্দি গ্রামের আরজু মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের সানু মিয়া, আব্দুল হাই, মোশাহিদ মিয়া গংদের বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে গত ২৪ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষের লোকজনদের মাঝে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আব্দুল হাই ও মোশাহিদ মিয়ার পক্ষের ওয়াহিদ মিয়া নিহত হন। এ ঘটনায় নিহত ওয়াহিদের বড় ভাই বাদী হয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আরজু মিয়াসহ ৬০ জনকে আসামী করে বাহুবল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে গ্রামটি পুরুষ শূন্য হয়ে যায়। প্রতিপক্ষের পুরুষ শূন্য বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। লুটপাট করে প্রায় কোটি টাকা মালামাল নিয়ে যায়। সম্প্রতি পুলিশ লুন্ঠনকৃত একটি আই ফোন উদ্ধার করেছে।
এদিকে গতকাল বুধবার সকাল ১১টার দিকে গ্রামের ব্রিজের কাছে তাজুল ইসলামের লাশ দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। পরবর্তীতে তাজুল ইসলামের পরিবারকে খবর দেওয়া হলে তারা সেখানে গিয়ে তার লাশ দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তাজুল ইসলাম এর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে লাশের ছুরতহাল করে সন্ধ্যায় ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এ ব্যাপারে নিহত তাজুল ইসলামের ছোট ভাই নুরুল ইসলাম জানান, সকাল ৬টার দিকে আমার ভাইকে বাড়িতে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করছিলাম। এরই মধ্যে সকাল ১১ টার দিকে আমাদের গ্রামের ব্রিজ সংলগ্ন জমিতে তার লাশ পাই। আমার ভাইয়ের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমাদের গ্রামে সংঘর্ষে ওয়াহিদ মিয়া মারা যাওয়ার পর তার ভাই আমাদের পক্ষের ৬০ জনকে আসামী করে মামলা দিয়েছে। এরপর থেকে তারা প্রতিশোধের নেশায় আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটসহ লোকজনদের পেলে মারপিট করছেন। আমাদেরকে আতংকের মুখে রেখেছিল। কারণ সংঘর্ষে আমি আহত হয়েছিলাম। তিনি বলেন, প্রতিশোধের নেশায় তারা আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছি এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে বাহুবল সার্কেল এর সহকারি পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহতের গলায় দাগ রয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com