বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

ওবামার জরিমানা

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৪
  • ৬২৮ বা পড়া হয়েছে

এক্সপ্রেস ডেস্ক ॥ তাড়াহুড়োতে লাইন ভেঙে ঢুকে পড়লেন। কিন্তু বুঝলেন কাজটা ঠিক হয়নি। তাই নিজের খাবারের দাম তো দিলেনই, পাশাপাশি যে দু’জনকে টপকে তিনি ঢুকেছিলেন, তাদেরকেও কিনে দিলেন। সেই দু’জনই তখন থ! এমনই মজাদার মুহূর্তের সাক্ষী রইল অস্টিন শহরের একটি রেস্তোরাঁ। বৃহস্পতিবার অস্টিনে ডেমোক্র্যাট পার্টির একটি সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা। সভা শেষে বিস্তর খিদে পাওয়ায় গিয়ে হাজির হন ফ্রাঙ্কলিন বারবিকিউতে। এটি অস্টিন শহরের একটি বিখ্যাত রেস্তোরাঁ। কিন্তু এত ভিড় হয় যে, অলিখিত নিয়ম আছে সবাইকে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে খাবার কিনতে হবে। প্রথমটায় ওবামা লাইনে দাঁড়ান। কিন্তু দেরি হচ্ছে দেখে লাইন ভেঙে এগিয়ে যান সামনে। রাষ্ট্রপতিকে কী আর কিছু বলা যায়! কেউ কিছু বলেনওনি। রেস্তোরাঁর মালিক আরন ফ্রাঙ্কলিন শুধু বলেন, “কেউ লাইন ভেঙে এলে আমি খাবার দিই না। শুধু আপনি দেশের রাষ্ট্রপতি বলে আপনাকে দিচ্ছি।” এ কথায় বেজায় অস্বস্তিতে পড়ে যান ওবামা। দেখেন, যে দু’জনকে টপকে তিনি এসেছিলেন, তারা গম্ভীর মুখে তাকিয়ে আছেন। তখন তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। আর বলেন, ‘‘এদের যা দরকার, সেটা দিয়ে দিন। আমি এদের দামটা দিয়ে দিচ্ছি।’’ ওবামা নিজের জন্য দু’পাউন্ড মাংস কেনেন। আর ওই দু’জন, ব্র“স ফিনস্ট্যাড ও ফেইথ ফিনস্ট্যাডকে কিনে দেন ছ’পাউন্ড মাংস। তার পর লোকজনের সঙ্গে সামান্য বাক্যালাপ করে বিদায় নেন। রেস্তোরাঁর মালিক আরন ফ্রাঙ্কলিন জানান, আট পাউন্ড মাংস বাবদ ৩০০ ডলার খরচ করেছেন রাষ্ট্রপতি। তবে রেস্তোরাঁয় বসে খাননি, নিজের বিমানে খাবেন বলে পার্সেল করে নিয়েছেন। আর যে দু’জন রাষ্ট্রপতির পয়সায় খাবার খেলেন, তারা কী বলছেন? মাঝবয়সী ব্র“স ফিনস্ট্যাড তার মেয়ে ফেইথ ফিনস্ট্যাডকে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রথম বিহ্বলতা, রাষ্ট্রপতি সশরীরে ওই রেস্তোরাঁয় এলেন। সেই ঘোর কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার পরবর্তী চমক! তিনি ওই দু’জনের খাবারের দাম মিটিয়ে দিলেন। দুর্লভ অভিজ্ঞতা, নিঃসন্দেহে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com