মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

এবারও ভোটার তালিকায় উঠেনি সুজনের নাম

  • আপডেট টাইম সোমবার, ৭ জুলাই, ২০১৪
  • ৫৩৬ বা পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ এবারও ভোটার হতে পারলেন না সুজন। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম সনদ না পাওয়ায় ভোটার তালিকায় তার নাম উঠেনি। শুক্রবার ইউনিয়ন পরিষদে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বিগত দু’বছর ধরে ভোটার তালিকায় স্থান পাওয়ার আশায় সুজন চেষ্টা করছে, কিন্তু সে তালিকায় তার স্থান হচ্ছে না। এতে সুজনের ভবিষ্যত জীবন অন্ধকারে পড়েছে। সুমনের বাড়ী গাজীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী আসামপাড়া গ্রামে। সুজন বলেন, শুধু কি তাই, তার বাবার রয়েছে অঢেল সম্পত্তি। আসামপাড়া বাজারে রয়েছে ৪/৫টি দোকান ভিট। এতো কিছু থাকার পরও বাবার সম্পত্তিতে নেই সুজনের কোন অধিকার। কোটি টাকার ধন সম্পদ থাকার পরও মায়ের কাষ্টার্জিত পয়সার উপর চলছে সুজনের জীবন। মা এ বাসায়-ও বাসায় কাজ করে যা পান তা দিয়ে চালাচ্ছেন সংসার। বাবার সম্পত্তি সৎ ৪ বোন ও অন্যান্য ওয়ারিশানরা ভোগ করলেও সুজনকে রাখা হয়েছে বঞ্চিত। এমনি অবস্থায় সুজন বড় হচ্ছে পিতৃপরিচয়হীনভাবে। সুজনের চাচা, চাচাতো ভাইয়েরা মুখে এঁটে দিয়েছেন কুলুপ। তবে সুজনকে নিয়ে পত্র-পত্রিকা ও ফেইজবুকে লেখা-লেখির কারনে তোলপাড় চলছে সর্বত্র। সুজন বলেন, ১৯৯২ সালে আসামপাড়া বাজারের আঃ ছমদের কন্যা, তার মা রাবিয়াকে গোপনে বিয়ে করেন তার বাবা ডাঃ ইউনুস মিয়া। এ বিয়ের স্বাক্ষী ছিলেন প্রয়াত হাজী মজলিশ মিয়া, ছাবু চৌধুরী, আঃ করিমসহ অনেকেই। ১৯৯৪ সালে রাবিয়ার গর্ভে জন্ম নেয় সুজন। সুজনের বয়স যখন ৫ বছর তখন তার মা ছেলের পিতৃ পরিচয় নিয়ে গ্রাম্য মাতব্বরদের দ্বারস্থ হন। গাজীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর খান সুজনের পিতার পরিচয় নিশ্চিত করার লক্ষে বার কয়েক সালিশ ডাকেন। কিন্তু কোন সুরাহা করতে পারেন নি। এর মাঝে মারা যান তার বাবা ডাঃ ইউনুস। সম্প্রতি ভোটার তালিকা হাল নাগাদ কাজ শুরু হলে সুজন ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম সনদ নিতে গেলে চেয়ারম্যান তাকে জন্ম সনদ না দিয়ে বিদায় করেন। চেয়ারম্যান বলেন, সুজনকে জন্ম সনদ দিলে তার বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে, তাই তিনি জন্ম সনদ দেননি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com