স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন বাজারে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এতে জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা ও সচেতন মহল। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কার্যকর তদারকির অভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি শহরের শায়েস্তানগর বাজার, চৌধুরী বাজার ও চাষিবাজার ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কয়েকটি মাংসের দোকানে সন্দেহজনক গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অসুস্থ বা অস্বাভাবিকভাবে কম দামে সংগ্রহ করে তা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে স্বাভাবিক মাংস হিসেবে বিক্রি করছেন। চাষিবাজারের এক ক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাংসের রং বা গঠন অস্বাভাবিক মনে হলেও বিক্রেতাকে কিছু বলতে পারি না। প্রতিবাদ করলে ঝামেলার আশঙ্কা থাকে। নিয়মিত তদারকি না থাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝেই এসব মাংস কিনছেন।” স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগাক্রান্ত পশুর মাংস মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু, সংক্রমণ ও পরজীবী ছড়িয়ে দিতে পারে। এসব মাংস খাওয়ার ফলে খাদ্যে বিষক্রিয়া, ডায়রিয়া, জ্বর, পেটের বিভিন্ন সংক্রমণসহ দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হয়। শিশু, বয়স্ক এবং রোগ প্রতিরোধমতা কম এমন ব্যক্তিদের েেত্র ঝুঁকি আরও বেশি। হবিগঞ্জের একজন চিকিৎসক বলেন, “অস্বাস্থ্যকর ও রোগাক্রান্ত পশুর মাংস খেলে তাৎক্ষণিকভাবে পেটের সমস্যা, সংক্রমণ এবং লিভারের জটিলতা দেখা দিতে পারে। ভেটেরিনারি চিকিৎসকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার বাইরে কোনো পশু জবাই বা মাংস বিক্রি করা উচিত নয়।”