সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

পুলিশের নায়েক কুদ্দুসের আত্মহত্যা ॥ স্ত্রী-শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

  • আপডেট টাইম বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৬৮৩ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১৪ নম্বরে পুলিশ লাইনে পুলিশ সদস্য শাহ মো. আব্দুল কুদ্দুসকে আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে স্ত্রী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার ৪ ফেব্রুয়ারী ঢাকা মহানগর হাকিম ইলিয়াস মিয়ার আদালতে মামলাটি করেন আব্দুুল কুদ্দুসের মা সৈয়দা হেলেনা খাতুন। মামলার আসামিরা হলেন, আব্দুুল কুদ্দুসের স্ত্রী সৈয়দা হাবিবুন্নাহার (নাহিন) ও শাশুড়ি রুনিয়া বেগম। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি ভোরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশ লাইনে নায়েক আব্দুল কুদ্দুস নিজের রাইফেল দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ভোর সোয়া ৫টার দিকে তিনি অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র নিয়ে ডিউটির জন্য বের হন। পরে পুলিশ লাইনের মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে আত্মহত্যা করেন। আব্দুল কুদ্দুস মাধবপুর উপজেলার রসুলপুরের মৃত শাহ মো. আব্দুুল ওয়াহাবের ছেলে।
আত্মহত্যার আগে ওই পুলিশ সদস্য ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করব না। আমার ভেতরের যন্ত্রণাগুলো বড় হয়ে গেছে, আমি আর সহ্য করতে পারছি না। প্রাণটা পালাই পালাই করছে। তবে অবিবাহিতদের প্রতি আমার আকুল আবেদন আপনারা পাত্রী পছন্দ করার আগে পাত্রীর মা ভালো কি না তা আগে খবর নেবেন। কারণ পাত্রীর মা ভালো না হলে পাত্রী কখনই ভালো হবে না। ফলে আপনার সংসারটা হবে দোযখের মতো। সুতরাং সকল সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি আমার শেষ অনুরোধ, বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ হাফেজ।’ এই স্ট্যাটাসটি দিয়ে আব্দুল কদ্দুস আত্মহত্যা করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com