বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

আজমিরীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যানদের অনাস্থা ॥ উপজেলা চেয়ারম্যান বললেন অভিযোগের সত্যতা নেই

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১১৬৯ বা পড়া হয়েছে

 

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মর্তুজা হাসানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র পত্রটি প্রেরণ করা হয়েছে জেলা প্রশাসক বরাবরে। গত বৃহস্পতিবার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত অনাস্থা প্রস্তাব এনে অভিযোগপত্র প্রেরণ করেছেন জেলা প্রশাসক এর নিকট।
এ ব্যাপারে জলসুখা ফয়েজ আহমেদ খেলু ও শিবপাশা আলী আমজাদ তালুকদার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন গত বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের নিকট অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়া হযেছে।
এতে বলা হয়, এ.ডি.বি’র বরাদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মর্তুজা হাসান। আইন-শৃঙ্খলা ও সমন্বয় সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানগণের সাথে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের মতবিরোধ চলে আসছিল। এ ছাড়া আরো একাধিক অভিযোগ আনা হয় উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধ।
এ ব্যাপারে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মর্তুজা হাসান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রদানের বিষয়টি জেনেছেন বলে জানান। তিনি বলেন, চেয়ারম্যানগণ আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ এনেছেন এর কোন সত্যতা নেই। তিনি বলেন, এডিবির বরাদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানগন অযৌক্তিকভাবে আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।
মুলতঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিপত্র অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নিজস্ব পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার বিবেচনা করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচির অর্থ বরাদ্ধ অনুযায়ী প্রকল্পগ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবে। এ অর্থ ইউনিয়ন পরিষদ সমুহের মাঝে বন্টনের সুযোগ নেই। লোকাল গর্ভন্যান্স সাপোর্ট প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়ন পরিষদের অনুকুলে পৃথক ভাবে অর্থ বরাদ্ধ করা হয়। এ অবস্থায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচির অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের নিকট বিভাজন না করে কমিটির মাধ্যমে যাচাই বাছাই ও অগ্রাধিকারপূর্বক প্রকল্প বাস্তবায়নে ওই পরিপত্রে অনুরোধ করা হয়।
মর্তুজা হাসান বলেন, ৫জন চেয়ারম্যান ও ২ জন ভাইস চেয়ারম্যানের নিকট থেকে প্রকল্প এনে একটি খসড়া প্রকল্প তৈরী করা হচ্ছে। এতে প্রতি ইউনিয়নের ৫/৭টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু চেয়ারম্যানগনের দাবী বরাদ্ধকৃত ১ কোটি ৩ লাখ টাকা তাদের মধ্যে বন্টন করে দিতে। যা অনিয়মতান্ত্রিক। তাদের দাবী অনুযায়ী অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে আমি বরাদ্ধ না দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে অনিয়মতান্ত্রিকতার অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যারা অনাস্থা এনেছেন তাদের মধ্যে শিবপাশা আলী আমজাদ তালুকদার এর মাধে আমার দীর্ঘ এক যুগ ধরে বিরোধ চলে আসছে। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ৪০টি মামলা রয়েছে। অপর দিকে সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস সেন, বদলপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুসেনজিৎ চৌধুরী এবং জলসুখা ইউপি চেয়ারম্যান জলসুখা ফয়েজ আহমেদ খেলু বিগত উপজেলা নির্বাচনে সরাসরি আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ছিল।
তিনি বলেন, বিরোধ এবং প্রতিহিংসা পরায়নয়তার কারনে আমার বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে। আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীকে অন্যত্র বদলির ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে ৫ ইউপি চেয়ারম্যানের যেসব বক্তব্য রেজুলেশনে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে সমন্বয় সভায় তারও প্রতিবাদ করেন ইউ.পি চেয়ারম্যানগণ। কারণ তারা রেজুলেশনে উল্লেখিত বক্তব্য দেননি বলে জানান।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com