সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ॥ ১০ বছর ধরে বিকল এক্স-রে মেশিনটি

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৭৭৫ বা পড়া হয়েছে

আবুল কাসেম, লাখাই থেকে ॥ লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে আছে। রেডিও গ্রাফার থাকলেও তিনি হাসপাতালে অন্য কাজে নিয়োজিত আছেন। ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বাইরে কোন ক্লিনিক অথবা হবিগঞ্জ হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষা করাতে হয়। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগীদের।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের জুলাই মাসে এক্স-রে মেশিনটি বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। পরে লোক নিয়োগ করে তা চালু করা হয় ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে। চালুর ৩ বছর ৭ মাস পরে মেশিনটিতে সমস্যা দেখা দেয়। পরে বিকল মেশিনটি আর মেরামত করা হয় নাই। এ অবস্থায় ১০ বছর চলে গেলেও আজো মেরামতের কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।
লাখাই উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষই দরিদ্র। প্রায় ২ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসাস্থল লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। খুব কম মানুষেরই সামর্থ্য আছে বেসরকারিভাবে চিকিৎসা করানোর। এক্স-রে মেশিন ছাড়াই চলছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। পারভেজ হাসান নামে এক রোগী বলেন, হাতে ব্যথা পেয়েছি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার পর চিকিৎসক এক্স-রে করতে বলেছেন। কিন্তু এখানে এক্স-রে করার সুযোগ নেই। তাই বাধ্য হয়ে জেলা শহরে বা প্রাইভেট ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালে আসা অনেক রোগী জানান, এক্স-রে মেশিন বিকল থাকার কারণে এক্স-রে করতে বাইরে ক্লিনিক অথবা হবিগঞ্জ যেতে হয়। এতে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে।
লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুম জানান, গত ৭ মাস আগে তিনি ওই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দিয়েছেন। তার আগে থেকেই এক্স-রে মেশিনটি নষ্ট। এটি মেরামত করার অবস্থায়ও নেই। এক্স-রে মেশিন চালানোর জন্য রেডিও গ্রাফারও আছে। এক্স-রে মেশিনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। তবে তিনি জানান আশা করা যাচ্ছে এর সমাধান মিলবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com