মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

টি-২০ ক্রিকেট নিয়ে জুয়ায় মত্ত হবিগঞ্জের যুবসমাজ

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০১৪
  • ৬৩৬ বা পড়া হয়েছে

বরুন সিকদার ॥ টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে টান-টান উত্তেজনা আর উন্মাদনায় ভাসছে ক্রিকেটফ্যানরা। সেদিক থেকে কোন অংশে পিছিয়ে নেই বাজিকরা। তবে তা ক্রিকেটের প্রতি ভলবাসায় নয়, বাজি জেতার আশায়। এসব বাজিকর বা জুয়ারীরা ম্যাচ শুরুর পূর্ব মুহুর্তে পছন্দসই দলকে বেঁছে জয় বা পরাজয় নিয়ে নির্দিষ্ট পরিমান টাকার অংকে বাজি ধরতে উৎসাহ প্রদান করে থাকে অন্যদের।
যা এক ধরনের নিরব-ঘাতি জুয়া হিসেবে পরিচিত বলে মনে করছেন সচেতন মহল। বর্তমান সময়ে এসব বজিকরদের সংখ্যা গুনে শেষ করবার নয়। এক্ষেত্রে কোন অংশেই পিছিয়ে নেই হবিগঞ্জ জেলাও। গ্রাম-গঞ্জের চাইতে শহরেই এসব জুয়ারীর প্রভাব বেশি লক্ষনীয়।
সাধারণ এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, এসব বাজি খেলায় বেশির ভাগ মধ্যবয়সী ও তরুণ যুবকরাই আসক্ত হয়ে পড়ছেন। শুধু মাত্র অশিক্ষিতরাই নয় শিক্ষিত ব্যক্তিরাও এতে যুক্ত হচ্ছে দিনকে দিন। বাজি কেন্দ্রিক এই মাধ্যমটি শুধু মাত্র মাঠেই সীমাবদ্ধ নয় আজকাল তা টিভির সামনেও বিস্তার লাভ করেছে। ম্যাচ প্রতি বাজিতে টাকার অংক হিসেবে নিম্নে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর বৃহৎ অংক টাকার পরিমান ২০ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টকার মধ্যে বা তারও অধিক হয়ে থাকে। তবে বড় দানের জুয়ারীদের বেশির ভাগ বিভিন্ন ব্যবসায়ি পর্যায়ে। আর ছোট দানের জুয়ারিদের বেশির ভাগ বেকার যুবক। তবে এর মাত্রা স্কুল ও কলেজ পর্যায়েও পৌছে গেছে বলে ধারণা অভিবাবকদের ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি জানান, এসব জুয়ারীরা কেউ প্রফেশনাল বা স্থায়ী নয়। বিভিন্ন খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যেই আনন্দস্বরূপ এই বাজি ধরা হয়। বাজিতে একবার কেউ জিতে গেলে পরবর্তিতে লাভের আশায় লোভে পড়ে আবারও বাজি ধরছেন। শর্ত অনুযায়ি বাজির টাকা মেটাতে না পারলে মনোমালিন্যতা সহ সংঘর্ষও হচ্ছে।
জেলা সদর শহরের চৌধুরী বাজার, বগলা বাজার, আনোয়ারপুর, উমেদনগর সহ বিভিন্ন স্থানের আড্ডা স্থল হিসেবে চা স্টল, টং দোকানকে ঘিরে বসে এসব জুয়ার আসর। শুধু তাই নয় ডিজিটাল যুগের সাথে তাল রেখে ঘরে বসেই মোবাইলেও একে অন্যের সাথে বাজিতে মেতে উঠছে।
রাজনগর এলাকার বাসিন্দা গোলাম রাব্বানী জানান, শখের বসত সিগারেট থেকে যেমন নেশাগ্রস্ত হয় সমাজ, তেমনি ক্রিকেট কেন্দ্রীক বাজি ধরে অনেকেই পাকা জুয়ারী হয়ে উঠছে। যা যুব সমাজের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর জন্যে প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে। তবে এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে হবে নিজ নিজ পরিবারবর্গদের।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com