বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

চুনারুঘাটে দাতা সদস্যের হাতে শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষক লাঞ্ছিত

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৭
  • ৬২৪ বা পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ চুনারুঘাটে দাতা সদস্যের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষক। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সদর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। লাঞ্ছিত দুজন হলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ ও প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম। দাতা সদস্য হলেন, জুয়েল মিয়া।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনৈক মুছিম উল্লা দাতা হয়ে উপজেলা সদরে অবস্থিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৭৬ শতক জমি দান করেন। মুছিম উল্লার মৃত্যু পর উত্তরাধিকার সূত্রে তার ছেলে জুয়েল মিয়া দাতা সদস্য হন। কয়েকদিন পূর্বে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জমিটির পুরো অংশে দেয়াল নির্মাণ করতে গেলে বাধা দেন বর্তমান দাতা সদস্য জুয়েল মিয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার এ নিয়ে দাতা সদস্য জুয়েল মিয়া ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে জুয়েল মিয়া ও তার সহযোগিরা শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামকে খিল ঘুষি মারতে থাকেন। এসময় বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও পথচারীরা শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে উপজেলা কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।
এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ বলেন, বিদ্যালয়ের দান করা ৭৬ শতক ভূমির মধ্যে ০২ শতক ভূমি জমি দাতা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। আমি এটা নিয়ম বহির্ভূত বললে উত্তেজিত হয়ে তারা আমাকে মারধর শুরু করে।
এ বিষয়ে দাতা সদস্য জুয়েল মিয়ার সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, আমি শিক্ষা কর্মকর্তাকে মারতে যাব কেন? শিক্ষা কর্মকর্তাতো একজন ফেনসিডিল ও ঘুষখোর। তিনি উপজেলার স্কুল লেভেল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে চলেছেন। এখন চাচ্ছেন আমার বিদ্যালয়ে সরকার কর্তৃক দান করা স্কুল লেভেল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের টাকা আত্মসাৎ করতে। এ নিয়ে আমার সাথে কথাকাটাকাটি হয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজাম মুনিরা ও চুনারুঘাট থানার ওসি কে.এম আজমিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com