বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

শহরের বাজার এলাকায় চটপটি বিক্রেতাকে বেঁধে নির্যাতন

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ৩১ মার্চ, ২০১৭
  • ৭৮০ বা পড়া হয়েছে
SAMSUNG CAMERA PICTURES

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শহরে মোবাইল চুরির অপরাধে তিন শিশুকে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই চটপটি বিক্রেতাকে বেঁধে নির্যাতন করেছে ব্যবসায়ী শাহ আলম। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গরুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় চটপতি বিক্রেতা নাতিরপুর গ্রামের আশরাফ আলীর পুত্র ফয়ছল মিয়া (২২) কে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নির্যাতনের বিষয়ে ফয়ছল সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানায়। আহত ফয়ছল আরো জানায়, গরু বাজার এলাকার আব্দুল আলীর পুত্র শাহ আলম (২৮) এর নিকট থেকে সম্প্রতি কিছু টাকা ধার নেয় ফয়ছল। কিন্তু তার কথামতো টাকা দিতে না পারায় কামড়াপুর ব্রীজের নিকট থেকে চটপটির ভ্যান গাড়িসহ ফয়ছলকে ধরে নিয়ে যায় শাহ আলমসহ কয়েকজন যুবক। পরে গরুর বাজার এলাকায় শাহ আলমের বাসায় নিয়ে হাত পা বেধে ফয়ছলের উপর অমানসিক নির্যাতন চালায়। নির্যাতনের ফলে ফয়ছল তার বাম চোখে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরে তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৮ জুলাই শাহ আলম মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে যশেরআব্দা গ্রামের খালেক মিয়ার পুত্র রনি মিয়া (১১) ও একই এলাকার লেদু মিয়ার পুত্র রুবেল (১০) ও তার বাসার ভাড়াটিয়া মাইশা (৮) নামের তিন শিশুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসে এবং তার মালিকানাধীন কলোনীতে হাতঁপা বেঁধে লাটি ও ইলেকট্রিক শক দিয়ে অমানসিক নির্যাতন চালায়। শিশুদের চিৎকারে এলাকাবাসি এগিয়ে এলেও তারা নির্যাতনের হাত থেকে তিন শিশুকে রক্ষা করতে পারেননি। খবর পেয়ে তৎকালীন সদর থানার এসআই রাজকুমার ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুদের উদ্ধার করে তাদের পরিবারের জিম্মায় দিয়ে আসেন। এর কিছুক্ষণ পর ওই তিন শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসার প্রস্তুতি নেয়। এ সময় শাহ আলম তাদেরকে বাঁধা প্রদান করে। বিষয়টি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে ওইদিন রাত ৮টায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ ফ ম শামসুর রহমান ভুইয়ার নির্দেশে পুলিশ শাহ আলমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে সে কারাগারে যায়। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়ে সে গতকাল চটপটি বিক্রেতাকে নির্যাতন করে। এ ঘটনায় সর্বত্র তোলপাড় চলছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com