বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

মাধবপুরের সুরমা চা বাগানে ১’শ একর পতিত ভূমিতে নতুন চা বাগান সৃজিত

  • আপডেট টাইম রবিবার, ২৮ জুন, ২০১৫
  • ৫৮৪ বা পড়া হয়েছে

আবুল হোসেন সবুজ, মাধবপুর  থেকে ॥ এশিয়ার বৃহত্তম মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগানে এ বছর ক্লোন ও সিড জাতের ১০ লাখ চা চারা গাছ ১শ একর পতিত জায়গায় রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ চারা দিয়ে ৫০ একর জায়গায় নতুন চা বাগান সৃজন করা হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে বাকী ৫ লাখ চারা রোপন করতে শ্রমিকরা কাজ করে যাচ্ছে। চা বাগান ব্যবস্থাপক আবুল কাশেম জানান, সুরমা চা বাগানে বিশাল এলাকা পতিত রয়েছে। তাই পর্যায়ক্রমে এসব পতিত ভূমি চা চাষের আওতায় আনার জন্য দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাগানের নিজস্ব নার্সারীতে ১০ লাখ চা গাছে সুস্থ সবল চারা উৎপাদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্লোন টি রয়েছে ৮ লাখ ও সিড ট্রি রয়েছে ২ লাখ। ক্লোনটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চারা রোপনের পর থেকে তাড়াতাড়ি চা গাছে চা পাতা উৎপাদন করা সম্ভব হয়। তবে এখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতি তাপ দাহ চা গাছের ক্ষতি বিবেচনা করে খরা সহিষ্ণু চা গাছ রোপনের কথা ভাবা হচ্ছে। চা গবেষনা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী খরা সহিষ্ণু উন্নত জাতের চা গাছ উদ্ভাবনের গবেষনা করছে। এ বছর জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে সুরমা চা বাগানের ১নং ডিভিশনের পতিত জায়গায় ১শ একর জায়গায় ১০ লাখ চা গাছ রোপনের লক্ষ্যে জমি প্রস্তুত করা হয়। এপ্রিল মে ও জুনে অর্ধেক জায়গায় ৫ লাখ চারা রোপন করা হয়েছে। জুনের শেষের দিকে প্রচন্ড খরা থাকায় নতুন চা গাছ রোপনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। এখন বৃষ্টির ভরা মৌসুমে বাকি ৫ লাখ চারা রোপনের লক্ষ্যে শ্রমিক কর্মচারীরা কাজ করে যাচ্ছে। চা গাছ রোপন করতে হয় সাধারণত সকাল ও বিকালে। সহকারী ব্যবস্থাপক মলয় দেব রায় ও কমল সরকার জানান, তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জমি প্রস্তুত করে সুবিন্যস্ত নালা খনন, সারিবদ্ধভাবে চা গাছ ও ছায়াবৃক্ষ দিয়ে চা গাছ রোপন করা হয়েছে। চা বাগানের সীমানা রেখায় ছায়াবৃক্ষ হিসেবে ভেষজ গুণ সমৃদ্ধ নিম গাছের চারা লাগানো হয়েছে। নিম গাচ কার্বনডাই অক্সাইড গ্রহণ করে বিশুদ্ধ অক্সিজেন ত্যাগ করে যা চা গাছের জন্য উপকারী। চা শ্রমিক সর্দার বাবুরাম জানান, নতুন করে পতিত ভূমিতে নতুন চা বাগান সৃজন করায় চা শ্রমিকরা উজ্জীবিত। কারণ চা গাছকে অবলম্বন করেই শ্রমিকদের জীবন জীবিকা চলে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com