শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে ॥ জনদূর্ভোগ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে অধ্যাপক কামরুল হাসান সভাপতি ও অ্যাডভোকেট জসিম সম্পাদক নির্বাচিত নবীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা আজ বানিয়াচং মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন দীঘলবাগে কৃষকদল নেতা জামাল আ.লীগ নেতা শাহীদের বিরুদ্ধে আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর দখলের অভিযোগ শহরের বিভিন্ন বাজারে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ নবীগঞ্জের চোখ হারানো আলিফের পরিবারের পাশে এনসিপি ॥ মায়ের খোঁজ নিলেন নেতৃবৃন্দ মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিবাদ সমাবেশ মাধবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ভিকটিম উদ্ধার

রমজানের শুরুতেই নিত্যপণ্যে আগুন ॥ বেগুন-শসার ’সেঞ্চুরি’

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রমজান শুরু হতে না হতেই চড়েছে হবিগঞ্জের নিত্যপণ্যের বাজার। সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও বেগুন ও শসার দাম হাঁকিয়েছে সেঞ্চুরি। লেবুর হালি ঠেকেছে ১৪০-১৫০ টাকায়। ফলের বাজারেও নাভিশ্বাস অবস্থা ক্রেতার। তবে মুরগির বাজার উচ্চমূল্যে স্থিতিশীল থাকলেও কিছুটা স্বস্তি ছড়াচ্ছে ডাল ও ছোলার দাম। রমজানের প্রথম দিনে জমজমাট হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজার।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও উত্তাপ ছড়াচ্ছে সবজির দাম। বিশেষ করে লেবু, শসা আর বেগুনের দামে ুব্ধ ক্রেতারা। মান ও সাইজভেদে এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। আর বেগুন ও শসার দাম ছাড়িয়েছে ১০০-১২০ টাকার ঘর। বাজারে সবজি কিনতে আসা সাইফুল ইসলাম বলেন, রমজান শুরু হতেই দাম এমন বাড়বে ভাবিনি। লেবু ছাড়া ইফতার কল্পনাই করা যায় না। কিন্তু এক হালি লেবু কিনতেই ১২০-১৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে। বেগুন আর শসার দামও ১২০-১৩০ টাকার ওপরে। আরেক ক্রেতা তাকদীর চৌধুরী বলেন, সরবরাহ ঠিক আছে, বাজারে পণ্যও আছে। তারপরও কেনো দাম এত বেশি; এর কোনো উত্তর পাই না। রমজান এলেই যেন কিছু পণ্যের দাম বাড়ানো যেন নিয়ম হয়ে গেছে।
এক লেবু বিক্রেতা বলেন, লেবুর চাহিদা রমজানে অনেক বেড়ে যায়। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই খুচরা বাজারেও দাম একটু বেশি।
ইফতারে বিশেষ চাহিদা থাকা ফলের দামও ঊর্ধ্বমুখী। রমজানকে কেন্দ্র করে আপেল, আনার ও মাল্টার দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। ফল কিনতে আসা ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, বাচ্চাদের জন্য ফল নিতে হয়। কিন্তু এখন ফল কিনতে গেলে বাজেটের বাইরে চলে যাচ্ছে। এক ফল বিক্রেতা বলেন, পরিবহন খরচ বেড়েছে। বাইরে থেকে ফল আনতে খরচ বেশি পড়ছে। তাই দাম কিছুটা বাড়তি।
ইফতার ও সেহেরিতে আমিষের জোগান নিশ্চিতে মুরগি কিনতে গেলেও স্বস্তির বার্তা নেই। বাজারে উচ্চমূল্যে স্থিতিশীল রয়েছে মুরগির দাম। গত এক সপ্তাহ ধরেই ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, সোনালি ৩২০ টাকা আর লেয়ার ৩৩০ টাকা কেজিতে। মুরগি বিক্রেতা নুর ইসলাম বলেন, দাম কয়েকদিন ধরে একই আছে। কমার কোনো খবর নেই, আবার বাড়েওনি। এদিকে মসলার দাম চড়া থাকলেও কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে ডাল ও ছোলার বাজার। ক্রেতা আবুল হাসান বলেন, সবকিছুর দাম বাড়লেও ডাল আর ছোলা কিছুটা সহনীয় আছে। অন্তত এই দুই পণ্যে একটু স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে। রমজানের প্রথম দিনেই এমন চড়া বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন ক্রেতারা। তাদের প্রত্যাশা, সামনে দিনগুলোতে বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হবে না। স্বস্তি ফিরবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com