মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

নবীগঞ্জে চাপা পড়ে গেছে ৩ হত্যাকান্ড ॥ দীর্ঘ দেড় যুগেও কিনারা হয়নি পুলিশের সদিচ্ছা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
  • ৫৯৬ বা পড়া হয়েছে

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জে ৩টি হত্যাকান্ডের দেড় যুগ অতিবাহিত হতে চললেও এগুলোর রহস্য উদঘান করতে পারেনির পুলিশ। হত্যা মামলার ফাইলগুলো চাপা পড়ে গেছে কি-না বা কখনও এগুলোর রহস্য উদঘাটন হবে কি-না এ ব্যাপারে পুলিশের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ১৯৯৯ ইং সনের ২৯ জানুয়ারী শনিবার গভীর রাতে নিজ দোকানে খুন হন ব্যবসায়ী পুতুল রায়। এ হত্যাকান্ডের ১৬ বছর হতে চলছে। কিন্তু পুলিশ এর রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। দীর্ঘ বছরেও নিহত পুতুল রায়ের পরিবার জানতে পারেনি কারা এবং কেন তাকে হত্যা করেছে। পুতুল রায়ের খুনিরা কি কখনও চিহ্নিত হবেনা, তারা কি অধরাই থেকে যাবে, এমন প্রশ্ন সাধারণ মানুষেরও।
১৯৯৯ ইং সনের ২৯ জানুয়ারী শনিবার গভীর রাতে দোকানে প্রবেশ করে পুতুল রায়কে নির্মমভাবে খুন করে সিন্দুকের তালা ভেঙ্গে নগদ টাকাসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ হত্যাকান্ডে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিকমহলসহ পৌর এলাকার সর্বত্র ক্ষোভ ও শংকা দেখা দেয়। নিহত বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পুতুল রায় প্রায় ৫০ বছর ধরে নবীগঞ্জ বাজারে মুদি দোকান চালিয়ে আসছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী আদিত্যপুর গ্রামে। ঘটনার দিন ব্যবসায়ী পুতুল রায় দোকানে একা ছিলেন। পরদিন ৩০ জানুয়ারী রবিবার সকালে পার্শ্ববর্তী দোকানীরা পুতুল রায়ের দোকান সামনে বন্ধ ও পিছনের দরজা খোলা এবং বিছানায় পুতুল রায়ের মৃতদেহ শায়িত দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা খোলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, দুর্বৃত্তরা সিদ কেঁেট দোকান ঢুকে নগদ টাকা ও মালামাল চুরি করার সময় পুতুল রায় দেখে পেলেন। ফলে পুতুল রায়কে নির্মমভাবে খুন করে টাকা ও মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়। ওই মামলার দীর্ঘ ১৫ বছর ৮ মাস অতিবাহিত হলেও অদ্যাবধি ঘটনার রহস্য উদঘাটন কিংবা খুনিদের সনাক্ত বা গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এই দীর্ঘ সময়ে দেশের রাজনীতি ও রাষ্ট্রের পটপরিবর্তন হলেও নিহতের স্বজনরা পুতুল রায়ের খুনিদের খোজ আদৌ না পাওয়ায় আজো চোঁখের জলে বুক ভাসাচ্ছেন।
অপরদিকে ১৯৯৭ সনের ১৭ ডিসেম্বর শহরের রুদ্রগ্রাম এলাকায় একটি দোকানে কে বা কারা জয়ধর সরকার (২১) নামের এক ব্যক্তি এবং ৯৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে নবীগঞ্জ পূর্ব বাজারে অপর এক ব্যবসায়ী কে নির্মমভাবে খুন করা হয়। এ দু’টি হত্যাকান্ডের রহস্যও অদ্যাবধি উদঘাটিত হয়নি বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com