বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শহরে চাঁদের হাসি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ॥ গোলাম মোস্তফা রফিক’র মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি গঠন ॥ আজ মঙ্গলবার ২টায় কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাযা ॥ বিভিন্ন মহলের শোক ১৮২ কোটি টাকার উন্নয়ন গ্রকল্প গ্রহণ হবিগঞ্জে হুইপ জি কে গউছের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে পৌরসভা ও ৩ উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে চা শ্রমিকদের মাঝে ঘরের চাবি প্রদান করেন এমপি ফয়সল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কৃষি কাজের ট্রাক্টরে বডি সংযোজন করে বালু-মাটি পরিবহন বাহুবলে মুজতবা আলী স্মৃতি পরিষদের ‘মুজতবাচরিত’ প্রকাশনা উৎসব রেমা-কালেঙ্গায় বন বিভাগের অভিযান ॥ মুলি বাঁশ জব্দ বানিয়াচং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন

চুনারুঘাটে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যা ॥ স্বামী, শ্বাশুড়িসহ একই পরিবারে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩২৫ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চুনারুঘাটে যৌতুকের দাবিতে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামী, শাশুড়ি, ননদসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (২) এর বিজ্ঞ বিচারক মো. জাহিদুল হক এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার সাদেকপুর গ্রামের রাসেল মিয়া (২৫) তাঁর বড় ভাই কাওছার মিয়া (৩২) মা তাহেরা বেগম (৫০), ছোট বোন হোছনা বেগম (২০) বড় বোন রোজী বেগম (২৭)। রায় ঘোষণার সময় কাউছার মিয়া পলাতক ছিলেন। অন্যরা উপস্থিত ছিল। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাসেল মিয়া তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তাহেরা খাতুন ওরফে আয়েশার কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মারপিট করেন। এক পর্যায়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আয়েশা সেখানে মারা যায় । এ ঘটনার আট মাস আগে তাঁদের বিয়ে হয়। পরদিন তাহেরার বাবা একই উপজেলার পঞ্চাশ গ্রামের আব্দুস ছত্তার দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুনারুঘাট থানার এস আই ফারুক হোসেন ২০১৭ সালের ৩ মার্চ অভিযোগপত্র দেন। কিন্তু বাদীপক্ষ এতে নারাজি দিলে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) মামলাটি পুনরায় তদন্ত করার আদেশ দেয়। পিবিআইয়ের এসআই মইনুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ১১ নভেম্বর পাঁচজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি (২) আবুল মনসুর চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ রায়ের কারণে নারী নির্যাতন ও যৌতুক কিছুটা হলেও লাঘব হবে। এ বিষয়ে আসামি পক্ষের আইনজীবি এমএ মজিদ জানান, এ রায়ে তারা সন্তোষ্ট নন। তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com