সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থের অভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছে না দুলনের মরদেহ হবিগঞ্জে এনসিপির দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদলের নেতাদের জামিন লাভ হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে আসামী করে ছাত্রদল নেতার মামলা রুজু বাহুবলে শ্যামলী বাসের সাথে সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১ হবিগঞ্জ আদালতে কোর্ট ফি সংকট ॥ ভোগান্তি সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে ভোগান্তি শহরে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান ॥ আটক ১ শায়েস্তাগঞ্জে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বাহুবলে দ্বৈত হত্যা মামলার আরও ১ আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

প্রেমের টানে মালয়েশিয়া থেকে হবিগঞ্জে এসেছেন তরুণী

  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৩৭৭ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মালয়েশিয়া থেকে প্রেমের টানে হবিগঞ্জে এসেছেন এক তরুণী। জেলার বানিয়াচং উপজেলার কবিরপুর গ্রামের প্রকৌশলী আব্দুর রাকিব খান রাজার হাত ধরে তিনি বাংলাদেশে আসেন। তার নাম নূর ফাতিম। প্রিয় মানুষটির সাথে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। কয়েকদিন পূর্বে তারা হবিগঞ্জের আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করেন। এর মধ্য দিয়ে চার বছরের প্রণয়ের সম্পর্ককে পরিণয়ে রূপ দিলেন এ যুগল। এ বিয়েতে ফাতিমের বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই আনন্দিত। মেয়ের সঙ্গে তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে জানান আব্দুর রকিব খান রাজা। বর আব্দুর রাকিব খান জানান, দেশে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করার পর তিনি ২০১৬ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যান। সেখানেই ফাতিমের সঙ্গে তার পরিচয়। তখন থেকেই নিজ দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি সম্পর্কে তাকে তিনি বলেন। দেশের সামাজিক রিতিনীতি সম্পর্কেও বলেন। ফাতিম নিজেও বাংলাদেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সবকিছু জানেন। তিনি বলেন, এরপর আমি তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিই এবং তিনি তাতে রাজি হন। গত এক বছর ধরে তার পরিবারের সাথে কথা চলছিল। তারাও আমার সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে রাজি হন। এরপর আমি কিছুটা পিছিয়ে গিয়েছিলাম। সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি কি করবো। অবশেষে কয়েকমাস পূর্বে তাকে বিয়ে করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিই। সেখানে আমরা বিয়ে করি। পরবর্তীতে কয়েকদিন আগে দুই পরিবারের অভিভাবকদের সম্মতিতে তাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসি এবং কোর্টের মাধ্যমে আবার বিয়ের কাগজ করি।
তিনি জানান, বিয়ে করে তারা হবিগঞ্জ শহরে ভাড়া বাড়িতে থাকছেন। দু’জনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কিছুদিন পর রাকিব ফের মালয়েশিয়া চলে যাবেন এবং ফাতিম বাংলাদেশে থাকবেন। মালয়েশিয়ায় লেখাপড়া শেষে তিনি পুনরায় দেশে ফিরলে তারা এদেশে স্থায়ী হবেন।
কনে ফাতিম অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ আমার ভালো লেগেছে। এখানকার পরিবেশ, আতিথেয়তা ও সবার ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ। খাবারের মধ্যে এখানকার মাংসের কারি ও দই খুব ভালো লেগেছে।
এদিকে ভিনদেশি বধূ পেয়ে রাকিবের পরিবার জুড়ে বইছে খুশির বন্যা। তারাও সবাই আনন্দিত।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com