বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

বানিয়াচঙ্গের মক্রমপুর মসজিদে কিয়াম করা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা সালিশে নিস্পত্তি

  • আপডেট টাইম রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৪১২ বা পড়া হয়েছে

বানিয়াচং প্রতিনিধি ॥ বানিয়াচংয়ে মক্রমপুর গ্রামে শাহী জামে মসজিদে কিয়াম করাকে কেন্দ্র করে সুন্নী ও তাবলিগ জামাতের লোকদের মাঝে সৃষ্ট সংঘর্ষের ঘটনাটি নিস্পত্তি করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) ১১ নং মক্রমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আহাদ মিয়ার সভাপতিত্বে ইউনিয়ন কার্যালয়ে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় মিলাদ মাহফিল ও কিয়াম জুমআর নামাজের পরে হবে। যারা কিয়াম করবেন না তারা নামাজ পড়ে যথারীতি প্রস্থান করবেন। এতে করে উভয় পক্ষ কোন ঝাঁমেলায় ঝড়াবে না মর্মে অঙ্গিকার করেন। সেই সাথে যাদের বাড়ি-ঘর ভাংচুর করা হয়েছে তাদের কাছে মক্ষা চেয়েছে অপরাধীরা। সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ূন কবির রেজা, সুজাতপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর গোলাম মুর্শেদ, তিতু মিয়াসহ স্থানীয় আলেম-উলামা, ইউপি সদস্য এবং সুন্নি ও তাবলিগ জামাতের নেতৃবৃন্দ। এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমরান হোসেন জানান, উভয় পরে নেতৃবৃন্দ আর কোন ঝাঁমেলায় ঝড়াবেন না বলে সালিশ বৈঠকে অঙ্গিকার করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) বানিয়াচং উপজেলার ১১নং মক্রমপুর ইউনিয়নে মক্রমপুর শাহী মসজিদে জুমআর নামাজের আগে মিলাদ মাহফিল ও কিয়াম পড়াকে কেন্দ্র করে তাবলিগ জামাতের বাড়ি-ঘর ভাংচুর করে সুন্নি পন্থিরা। এঘটনা জানাজানি হলে বানিয়াচংয়ের আলেম-উলামাসহ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন এর সার্বিক তত্ত্ববধানে ও ইউপি চেয়ারম্যানসহ পঞ্চায়েত ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় সৃষ্ট বিরোধটি নিরসন করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অনুসারীদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com