মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

বাহুবলে মুক্তিযোদ্ধা প্রার্থীর শূন্য ভোট !

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৬৩৩ বা পড়া হয়েছে

বাহুবল প্রতিনিধি ॥ বাহুবলে একজন অশীতিপর মুক্তিযোদ্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একটি ভোটও পেলেন না! বিষয়টি উপজেলার সর্বত্র আলোচনার ঝড় তোলেছে। হতভাগা মানুষটি হলেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ফিরোজ মিয়া। হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডটি বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী, সাতকাপন, বাহুবল, লামাতাসী ও ভাদেশ্বর ইউপি নিয়ে গঠিত। মোট ৬৭ ভোটের এ ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্র ছিল বাহুবল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন। এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বি ৪ প্রার্থীর মাঝে সবচেয়ে বয়ষ্ক, অভিজ্ঞ ও শিক্ষিত প্রার্থী হলেন আলহাজ্ব শেখ ফিরোজ মিয়া। ’৭১-এর রণাঙ্গন জয়ী এ মানুষটি এক সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে হেরেছেন। অবশেষে তিনি বিগত ২০০৯ সনের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণ করে সফলতার মুখ দেখেন। বিপুল ভোটে তিনি বাহুবল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে বিগত ২০১৪ সনে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে একই পদে তিনি পরাজয় বরণ করেন। সর্বশেষ তিনি হবিগঞ্জের জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী হয়ে ‘হাতি’ মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের ফলাফলে তার ভোট সংখ্যা ‘শূন্য’ দেখে অনেকেই আক্ষেপ করলেন। ফলাফল ঘোষণার সময় অনেককেই বলতে শুনা গেল- ‘হতভাগা এ বীরমুক্তিযোদ্ধাকে একটি ভোট দিয়ে সম্মান দেখানোর মানুষও কী কেউ ছিলেন না!’ উল্লেখ্য, ৬৭ ভোটের এ ওয়ার্ডের ইলেক্টোরাল ভোটারদের মাঝে মুক্তিযোদ্ধাও ছিলেন। বিকেলে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে শেখ ফিরোজ মিয়া বলেন, ফলাফলে আমি মোটেও অবাক হইনি। ইলেক্টোরাল ভোটররা আমাকে মূল্যায়ন না করলেও জনগণ আমাকে মূল্যায়ন করে বলেই আমার বিশ্বাস। তাই আজকের পর থেকে আমি আবার জনগণের মাঝে ফিরে যাব। আগামী দিনে উপজেলার শীর্ষ পদেই লড়ব ইনশাআল্লাহ।
এ ওয়ার্ডে আলাউর রহমান সাহেদ (তালা) ৩৪, মোশাহিদ আলী (বৈদ্যুতিক পাখা) ১৬ ও সৈয়দ এনামুল হক (টিউবওয়েল) ১৩ ভোট পেয়েছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com