বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

তারেক রহমানের ৭ বছরের কারাদন্ড ২০ কোটি টাকা জরিমানা

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬
  • ৪৯৪ বা পড়া হয়েছে

এক্সপ্রেস ডেস্ক ॥ অর্থ পাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদন্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলায় নিন্ম আদালতের ৭ বছরের রায় বহাল রাখার পাশাপাশি জরিমানা ৪০ কোটি টাকা কমিয়ে ২০ কোটি করেছে হাইকোর্ট।
এর আগে ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন বিচারিক আদালত। রায়ে তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। তবে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদন্ড ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়া হয় সে সময়। ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোঃ মোতাহার হোসেন ওই রায় ঘোষণা করেন। বিচারিক আদালতে তারেক রহমানের খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আপিল করে দুদক। অন্যদিকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সাজা মওকুফ চেয়ে আপিল করেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। দুদক ও মামুনের আপিলের শুনানি শেষে গত ১৬ জুন মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন হাইকোর্ট।
২০০২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মোঃ ইব্রাহিম ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুকেন্দ্র স্থাপনের কার্যাদেশ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে নির্মাণ কনস্ট্রাকশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে ওই টাকা লেনদেন হয়। এর পর মামুন ওই অর্থ সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল স্ট্রিটের সিটিব্যাংক এনএতে তার নামের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। ওই টাকা থেকে তারেক রহমান ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন। তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৬ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। অভিযোগ গঠন করা হয় ২০১১ সালের ৮ আগস্ট। দুদকের আবেদনে এ মামলার প্রধান আসামি তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ২০১৩ সালের ২৬ মে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
মামলাটি দায়ের থেকে শুরু করে পুরো বিচার প্রক্রিয়াতেই অনুপস্থিত ছিলেন তারেক। কয়েক দফা তাকে সমনও পাঠানো হয়। আট বছর ধরে তিনি যুক্তরাজ্যে রয়েছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com