শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪
  • ১৯২ বা পড়া হয়েছে

এক্সপ্রেস রিপোর্ট ॥ আজ ৯ রমজান। ৩২ হিজরী মোতাবেক ৬৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ৯ রমজান শীর্ষস্থানীয় সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহ তা’আলা আনহ্ ুমদীনা মনোয়ারায় ৬১ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তিনি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর অতি ঘনিষ্ট সহচর ছিলেন। তিনি মক্কা হতে মদিনায় হিজরত করে আসেন। মসজিদুন্নবীর অতি সন্নিকটে তিনি তাঁর আম্মাজানকে নিয়ে বাস করতেন। তাঁর স্ত্রী হযরত জয়নব রাদিআল্লাহ তা’আলা আ্নহা একজন বিধূষী মহিলা ছিলেন। তাঁর বর্ণিত বেশ কয়েকটি হাদিসও রয়েছে। মসজিদুন্নবীর অতি সন্নিকটে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের গৃহ থাকায় এবং তাঁর আম্মাজানের সঙ্গে ঘন ঘন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হির গৃহে তাঁর যাওয়া আসা থাকায় অপরিচিত লোকরা মনে করতেন যে, তিনি নবী পরিবারেরই লোক। ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম কয়েক জনের অন্যতম তিনি। কোরআন শরীফের তফসিরকার সাহাবায়ে কেরামগণের মধ্যে তিনি শীর্ষস্থানীয়। তিনি তফসির করার ক্ষেত্রে অধিক শানে নুযুল এবং পর্যাপ্ত হাদিস উপস্থাপনে বিশেষ অবদান রাখেন। তিনিই মক্কা শরীফে থাকাকালে প্রকাশ্যে কোরআন মজিদ তিলাওয়াত করে কাফির মুশরিক দ্বারা নিগৃহীত হন। প্রিয় নবী (সাঃ) এর নির্দেশে আবিসিনিয়ায় যাঁরা হিজরত করেন তাঁদের একজন ছিলেন তিনি। তিনিও প্রিয় নবী (সাঃ) এর নির্দেশে মক্কা হতে মদিনা মনোয়ারায় হিজরত করেছিলেন। তিনি সব যুদ্ধেই অংশগ্রহণ করেন। ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ রমজান ঘটে যাওয়া বদরের যুদ্ধে তিনি শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন। এবং আবু জেহেলের দেহ হতে মস্তক ছিন্ন করে বীরত্বের অনন্য স্বাক্ষর স্থাপন করেন। তাঁরই দায়িত্বে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর পবিত্র পাদুকা, ওজুর পানি ও মিসওয়াক থাকতো। তাঁর বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা ৪৪৮। তাঁর বর্ণিত বহুল প্রচলিত অনেক হাদিস রয়েছে। যেমন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কসম সেই সত্বার যাঁর কবজায় মুহম্মদের প্রাণ, কোন বান্দা মুসলিম হবে না যতক্ষণ না তাঁর অন্তর ও জিহ্বা মুসলিম হয় এবং যতক্ষণ না তার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট হতে নিরাপদ থাকে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কেয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি আমার অতি নিকটে থাকবে, যে আমার উপর বেশী দরুদ পাঠ করে (তিরমিযী শরীফ)। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে যে, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর কিছু ফেরেস্তা আছে যারা জমিনে বিচরণ করে। এবং আমার উম্মতের সালাম আমার নিকট পৌঁছে দেয়। (নাসারি ও দারিমী)। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে আল্লাহর নিকট দোয়া করার সময় প্রথমে আল্লাহ্র হাম্দ ও ছানা পাঠ করবে, তারপর প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি সালাদ ও সালাম (দরুদ শরীফ) পেশ করবে, তারপর দোয়া করবে। এই নিয়মে দোয়া করলে আশা করা যায় সফল হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com