বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা ছাত্রদল সভাপতি রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ১’শ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা নবীগঞ্জে পথসভা শেষে বিএনপি ও জাসাস নেতার মধ্যে বাকবিতন্ডা ও সংঘর্ষ ॥ আহত ২০ চুনারুঘাটের এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত শায়েস্তাগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ লুণ্ঠিত পিকআপ ও ১২টি গরু উদ্ধার নবীগঞ্জে নতুন ইউএনও সুলতানা জেরিন চা-বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার শহরে এনসিপির সাথে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ॥ আহত ১০ হবিগঞ্জ কারাগার পরিদর্শনে হুইপ জি কে গউছ ॥ বন্দিদের জন্য ১০টি টেলিভিশন, ৩০টি সিলিং ফ্যান ও ২টি ডিপ টিউবওয়েল দেওয়ার ঘোষণা হবিগঞ্জ শহরে মুক্তিযোদ্ধা অনিল কুমার চৌধুরীর জায়গা দখলের অভিযোগ হুইপ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত অভিযোগ হবিগঞ্জ পৌরসভার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

নবীগঞ্জের কালাভরপুর গ্রামের সালামত খানের বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২৭৩ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার ১০ নং দেবপাড়া ইউনিয়নের কালাভরপুর গ্রামের স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ এনেছেন ওই গ্রামের মকসুদ মিয়া। তিনি এ ব্যাপারে গতকাল ১ নভেম্বর হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- কালাভরপুর গ্রামে মৃত সুলেমান খাঁ এর পুত্র মোঃ সালামত খান ও স্ত্রী মোছাঃ রিপা খানম।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মকসুদ মিয়ার চাচা ছাও মিয়া গংদের সাথে সালামত খানের দীর্ঘদিন যাবত পূর্ব বিরোধ ছিল। বিভিন্ন সময়ে উভয় পক্ষের মাঝে মামলা মোকদ্দমাও চলছিল। এরই মধ্যে মকসুদ মিয়ার সাথে তার চাচা ছাও মিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য ও বিরোধ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সালামত খা মকসুদ মিয়ার পক্ষ নেয়। হঠাৎ একদিন মকসুদ মিয়া সালামত খানের মধ্যে জানতে পারেন তার ভাতিজি আসমা বেগম নিখোঁজ। অনেক খোঁজাখোজি করে তার লাশ পাওয়া যায় পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে। পরবর্তীতে সালামত খানের পরোচনায় মকসুদ মিয়া তার চাচা ছাও মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের কিছুদিন পর সামলাত খানই মকসুদ মিয়াকে মামলা টি আপোষ করার জন্য চাপ দেয়। এক পর্যায়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম এর মধ্যেস্থতায় মামলাটি শালিস বিচারে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট ছাও মিয়া ৮ লাখ ও সালামত খান ৮ লাখ করে মোট ১৬ লাখ টাকা জমা দেন। বিচারে সালামত খান ৮ লাখ টাকা জমা দেয়ায় আসমার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে মকসুদ মিয়ার সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের নিকট মকসুদ মিয়া আবেদন করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি জেলা পুলিশ সুপার, সার্কেল এএসপি, নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা সংস্থার নিকট প্রেরণ করা হয়।

 

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com