সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

ঝড়-বৃষ্টির আভাস মিলতেই হবিগঞ্জ শহরে চলে যায় বিদ্যুৎ

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪২৭ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে মঙ্গলবার মধ্যরাতে শুরু হয় বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া। ঝড়-বৃষ্টির আভাস মিলতেই হবিগঞ্জ শহরের অনেক জায়গায় চলে যায় বিদ্যুৎ। এক-দেড় ঘণ্টা পর ঝড়-বৃষ্টি থেমেছে, কিন্তু টানা ৩-৪ ঘন্টা পর অনেক জায়গায় বিদ্যুত আসে। আবার কোনো কোনো এলাকায় ১০/১২ ঘন্টা পর বিদ্যুত স্বাভাবিক হয়। তারপরও আসে আর যায়। এ অবস্থা শুধু গতকালই নয়, বেশ কয়েকদিন ধরেই হবিগঞ্জে এমন চলছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে হবিগঞ্জবাসীকে।
শুধু হবিগঞ্জ শহরই নয়। একই অবস্থা পল্লী বিদ্যুতেরও। গত কয়েকদিন দিন ধরে মাঝে মাঝে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে হচ্ছে বৃষ্টি। চমকায় বিদ্যুৎ। কিন্তু বৃষ্টি শুরুর আগেই শুরু হয় বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় কাটাতে হয়েছে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে। গ্রাহকদের অভিযোগ, একটু বাতাস কিংবা বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ বিভাগ সংযোগ বন্ধ করে দেয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপো করেও বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া যায় না। আবার সংযোগ দিলেও কিছুাণ পরপর ফের বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পবিত্র রমজান মাসেও বিদ্যুতের আসা যাওয়া থেমে নেই। আইন শৃংখলা কমিটির সিদ্ধান্ত হয় ইফতার, তারাবি ও সেহরিসহ বিভিন্ন সময় বিদ্যুত না নেয়ার জন্য। অথচ দেখা যায় এসব সময়ে আরও বেশি নেয়া হয়। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে-ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে যখন বিদ্যুৎ চমকায়, তখন সঞ্চালন লাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বড় ধরনের তির আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আর ঝড়-বৃষ্টিতে লাইনের উপর গাছ-পালাসহ অনেক কিছু পড়ে য়তি হয়। তাই পুনরায় সংযোগ দিতে অনেক সময় দেরি হয়ে যায়। ভুক্তভোগীরা বলছেন, এখন চলছে পবিত্র রমজান মাস। ইফতার ও সেহরির সময়ও বিদ্যুৎ বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ তো আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিতে এমনটি হয়। তারা শুষ্ক মৌসুমে ঠিকমতো গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তন করে না। পুরোনো লাইন, খুঁটি ও ট্রান্সমিটার এসব পরিবর্তন করে না। ফলে হালকা ঝড়-বৃষ্টি হলেই নানা সমস্যা দেখা দেয়। এবার আমরা কঠোর আন্দোলনে নামবো। সরকারি এক চাকুরিজীবি জানান, দাপ্তরিক অনেক কাজকর্ম কম্পিউটারে করতে হয়। কিন্তু কম্পিউটার খোলার সাথে সাথে বিদ্যুত চলে গেল। বিছুক্ষণ পর আবার বিদ্যুত এলে কম্পিউটার ওপেন করা হলে সাথে সাথেই বিদ্যুত হাওয়া। এমনিভাবে সারাদিনে অসংখ্যবার কম্পিউটার খুলতে হয়েছে। আর এতে করে সরকারী দাপ্তরিক কাজকর্মে ব্যাহত হয়। এছাড়া ঘন ঘন বিদ্যুতের যাওয়া-আসার কারণে অনেক বাসা-বাড়িতে টিভি, ফ্রিজসহ ইলেট্রনিক্স যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। তবে বিদ্যুত অফিসের জরুরি নম্বরে ফোন করলে কোনো সময় রিসিভ করা হয় আবার কোনো সময় ব্যস্ত করে রেখে দেয়া হয়। শহরবাসীসহ ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান বিদ্যুত ব্যবস্থা যে অবস্থায় পৌছেছে তাতে অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। অতীতে বিদ্যুতের এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করেন তারা। শহরবাসী বিদ্যুত বিপর্যয় থেকে পরিত্রাণ পেতে চান। এ বিষয়ে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, হবিগঞ্জের অধিকাংশ বিদ্যুতের লাইন ত্রুটিপূর্ণ। তাই ঝড় বৃষ্টি হলেই তার ছিড়ে যায়। এ কারণে সমস্যা হচ্ছে। তবে তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেন সমাধানের।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com