বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের লাশ কাটা ঘরটি নানা সমস্যায় জর্জরিত

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৮৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নানা সমস্যায় জর্জরিত হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের লাশ কাটা ঘর। জেলার একমাত্র এই মর্গে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লাশ কাটা হয়। কিন্তু ফ্যান, বাতি, পানি এবং ফ্রিজিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় লাশ পঁচে গিয়ে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচেছ। এমনকি বিভিন্ন রোগ বালাইও দেখা দিচ্ছে। নামে মাত্র হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল। কিস্তু সেবাদানে নেই কোনো উন্নত ব্যবস্থা। অনেক সময় দেখা যায়, বিকাল ৪টার পর কোনো লাশ এলে ময়নাতদন্ত হয় না। পরের দিন করা হয়।
গত শনিবার র‌্যাব এর এক সদস্য সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান। কিন্তু লাশটি মর্গে রাখার ফলে পঁচে যাওয়ার আশংকায় মৌলভীবাজার থেকে লাশবাহি ফ্রিজিং গাড়ি আনা হয়। এরকম সমস্যা নতুন নয়। অনেক বছর ধরেই এমন অবস্থা চলছে।
পুলিশ ও লাশের সাথে আসা স্বজনরা জানান, কোনো সময় পঁচা লাশ আনা হয় আবার কোনো স্বাভাবিক লাশও আনা হয়। কিন্তু মর্গে রাখার ১২ ঘন্টা পরেই লাশ ফুলে পঁচে যায়। গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লাশ কাটার কোনো অত্যাধুনিক সরঞ্জাম নেই। মান্দাতার আমলে ভুঁতা চাকু ও দা দিয়েই কষ্ট করে লাশ কাটাছেড়া করা হয়। তাছাড়া লাশের গুরুত্বপূর্ণ আলামত রাখার জন্য যে বোতলে রাখা হয় সেগুলোও অনেক পুরোনো। একেকটা বোতলে বেশ কয়েকটি আলামত রাখা হয়। যার ফলে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ব্যাঘাত ঘটার আশংকা রয়েছে। শুধুমাত্র একটি ফ্যান রয়েছে। যে ক’টি বাতি রয়েছে সেগুলোও বিকল। শুধুমাত্র ১টি লাইট দিয়ে কোনো রকমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ডোম। প্রধান ডোম ছাবু মিয়া ও তার সহযোগি তাজুল ইসলাম মারা যাবার পর কোনো নিয়োগ না থাকায় ছাবু মিয়ার ছেলে জিতু মিয়া ও তার সহযোগি রিপন মিয়া অতি কষ্টে লাশ কাটাছেড়া করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com