বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

মাধবপুরে বিভিন্ন সড়কে শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান গাছ

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০১৪
  • ৫৭৪ বা পড়া হয়েছে

আবুল হোসেন সবুজ, মাধবপুর থেকে ॥ মাধবপুরে অযতœ অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন সড়কের লাখ লাখ টাকার আকাশী শিশু বেলজিয়াম সহ বিভিন্ন মূল্যবান গাছ। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। উপজেলার মাধবপুর-ধর্মঘর-হরষপুর সড়ক, তেলিয়াপাড়া-চৌমুহনী সড়ক, আন্দিউড়া-বুল্লা সড়ক, ছাতিয়াইন-নোয়াপাড়া, মাধবপুর- হরষপুর, মাধবপুর -চেঙ্গারবাজার সড়ক সহ বিভিন্ন সড়কে সরকারের সামাজিক বনায়নের আওতায় দীর্ঘদিন পূর্বে রোপনকৃত মূল্যবান গাছগুলো পরিপক্ক হয়ে একের পর এক শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে। দেখলে মনে হয় এগুলো দেখার যেন কেউ নেই। গত প্রায় ৭ বছর ধরে পর পর ৪ বার নাম্বারিং করা হলেও অজ্ঞাত কারণে গাছগুলো টেন্ডার দেওয়া হচ্ছে না। ফলে নষ্ট হচ্ছে সরকারের লাখ লাখ টাকার মূল্যবান গাছ। সরেজমিনে মাধবপুর- ধর্মঘর সড়ক, চৌমুহনী-তুলসীপুর সড়ক সহ বিভিন্ন সড়কে গাছপালার এ দৃশ্য দেখা যায়। এ মরা গাছগুলো এক শ্রেণীর লোক রাতের আধারে শুধুমাত্র জ্বালানী হিসেবে ব্যবহারের জন্য কেটে নিয়ে যাচ্ছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একটি প্রভাবশালী চক্র মূল্যবান এ গাছ বাকল তুলে লবন পানি দিয়ে দেয়। ফলে কিছু দিনের মধ্যেই লবনাক্ততার কারণে গাছগুলো মরে শুকিয়ে যায়। তারাই আবার রাতের আধারে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহারের জন্য কেটে নিয়ে যায় এ গাছ। উপজেলার যে কোনো রাস্তায় বের হলেই অসংখ্য গাছ এ রকম মরা ও শুকনো অবস্থায় দেখা যায়। এলাকার কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি দাবি করে বলেন, গাছগুলো টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করা হলে সরকারের যেমন রাজস্ব বৃদ্ধি পেত গাছগুলোও বিভিন্ন ফার্ণিচার সহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হত।
সিলেট বন বিভাগ রঘুনন্দন রেঞ্জ শাহপুর অফিস সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে টেন্ডার কল করা হলেও বিভিন্ন কারণে তা আর হয়ে উঠেনি। এর পূর্বেও ২ বার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল বলে জানান ওই অফিসের একটি সূত্র। মূল্য কম দেখানোর কারণে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com