বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

মাধবপুরের সেই পুলিশ সদস্য আব্দুল কুদ্দুস আত্মহত্যা কান্ড ॥ প্ররোচনা মামলার প্রতিবেদন ২৪ মার্চ

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৬২২ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বর পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সদস্য শাহ মো. আবদুল কুদ্দুসকে আত্মহত্যায় প্ররোচনায় তার স্ত্রী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৪ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। আত্মহননকারী পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুস মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের রসুলপুরের মৃত শাহ মো. আবদুল ওয়াহাবের ছেলে।
গতকাল সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম নতুন করে এ দিন ধার্য করেন।
এর আগে ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম ইলিয়াস মিয়ার আদালতে মামলাটি করেন আবদুল কুদ্দুসের মা সৈয়দা হেলেনা খাতুন। মামলার আসামিরা হলেন-আবদুল কুদ্দুসের স্ত্রী সৈয়দা হাবিবুন্নাহার (নাহিন) ও শাশুড়ি রুনিয়া বেগম।
আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
গত ২৩ জানুয়ারি ভোরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশ লাইন্সে আবদুল কুদ্দুস নিজের রাইফেল দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ভোর সোয়া ৫টার দিকে তিনি অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র নিয়ে ডিউটির জন্য বের হন। পরে পুলিশ লাইন্সের মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
আত্মহত্যার আগে ওই পুলিশ সদস্য ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করব না। আমার ভেতরের যন্ত্রণাগুলো বড় হয়ে গেছে, আমি আর সহ্য করতে পারছি না। প্রাণটা পালাই পালাই করছে। তবে অবিবাহিতদের প্রতি আমার আকুল আবেদন আপনারা পাত্রী পছন্দ করার আগে পাত্রীর মা ভালো কি না তা আগে খবর নেবেন। কারণ পাত্রীর মা ভালো না হলে পাত্রী কখনই ভালো হবে না। ফলে আপনার সংসারটা হবে দোজখের মতো। সুতরাং সব সম্মানিত অভিভাবকের প্রতি আমার শেষ অনুরোধ, বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ হাফেজ।’

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com