সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লস্করপুর এলাকায় আবারো খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙ্গন খোয়াই নদীর ভাঙ্গা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হুইপ ॥ বিএনপির রাজনীতি করে জনগণের জন্য-জি কে গউছ শায়েস্তাগঞ্জে পুকুরে শুঁটকি ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার হবিগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও আনসার কমান্ডার পরিচয়ে এক যুবকের প্রতারণা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ নবীগঞ্জে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আউশে ফলন ভালো দামে সর্বনাশ ॥ ধান চাষে মুখ ফিরাচ্ছেন কৃষক সততা-স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাজ করে যাচ্ছি-সৈয়দ ফয়সল এমপি বাহুবলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ ॥ যান চলাচল বন্ধ হবিগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার সিলেট বিভাগের পরিচালক আশরাফুর রহমান উজ্জ্বলপুর বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দুই কক্ষে ৫৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম

ভরপূর্ণি গ্রামের মাহফুজা স্বামীর পরকিয়ার বলি

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৮৯৩ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ লাখাই উপজেলার ভরপূর্ণি গ্রামের স্বামীর পরকিয়ার বলি হয়েছে দু’সন্তানের জননী মাহফুজা বেগম (২৩)। এ ঘটনায় ৭জনকে অভিযুক্ত করে মাহফুজার ভাই মোঃ বদিউল আলম বাদী হয়ে লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হচ্ছে- মাহফুজার স্বামী মকসুদ আলী (৩৬), শ্বাশুড়ী লিবাস বানু (৫৫), মকসুদের পরকীয় প্রেমিক মামাতো বোন জাকিয়া আক্তার (১৯), ভাসুর আতিগুল মিয়া (৪৫), তার স্ত্রী নাসিমা খাতুন (৪০), মামা শ্বশুর মোঃ আকবর হোসেন (৪৬) ও হোসেন মিয়া (৪২)। এর মাঝে স্বামী মকসুদ আলী গ্রেফতার হয়েছে। অপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০১২ সনের ৭ সেপ্টেম্বর পার্শ্ববর্তী গোয়াকড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের কন্যা মাহফুজা বেগমের বিয়ে হয় ভরপুর্নি গ্রামের খেলু মিয়ার পুত্র মকসুদ আলীর সাথে। তাদের একটি ৫ বছর বয়সী মেয়ে ও একটি ১৮ মাস বয়সী ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর মকসুদ ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে। তাদের দাবী পুরন না করায় মাহফুজাকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করা হতো। এতে সে পিত্রালয়ে অবস্থান করে। এ ঘটনায় ২০১৪ সনের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সনের জুলাই মাসে সামাজিক শালিসে বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে মাহফুজা পুনরায় স্বামীর বাড়ি যায়। এদিকে মকসুদ আলী তাদের পার্শ্ববর্তী বাড়ির মামাতো বোন জাকিয়া আক্তারের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি মাহফুজা আচ করতে পারলে মকসুদ বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য মাহফুজাকে হুমকী দেয়। এর পর থেকে অভিযুক্তরা প্রায়ই মাহফুজাকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করতো। এদিকে ঘটনার তারিখ ২১ অক্টোবর রাত ১২টার দিকে মাহফুজাকে দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। তার গলা কাটাসহ পুরো শরীরে ২৪টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে মাহফুজার ভাই মামলার বাদী বদিউল আলম অন্যান্যদের নিয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান। খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌছে। এ সময় পুলিশ ঘাতক মকসুদ আলীকে গ্রেফতার করলেও হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যরা আত্মগোপন করে।
মামলার বাদী বদিউল আলম জানান, হত্যার পর মাহফুজার লাশ গুম করার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। কিন্তু আশপাশের লোকজন চলে আসায় এরা সফল হয় নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com