বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৯
  • ৭৫৬ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাহুবল উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মো. মহিউদ্দিন চৌধুরী বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান উদ্দিন আহমেদ প্রধানের আদালতে গতকাল বুধবার মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইউএনও’র অফিস সহকারি হরিপদ দাসসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামী করা হয়েছে। মামলাটি গ্রহণ করে আনীত অভিযোগ তদন্তক্রমে প্রতিবেদন প্রদান করার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইসভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে বাদি উল্লেখ করেন, গত ৬ মার্চ বাহুবল উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের করাঙ্গী নদীর বাঁধে মাটির কাজের ২ লাখ টাকার বিলের একটি চেকে সই করার জন্য ইউএনও মো. জসিম উদ্দিন তার অফিস সহকারি হরিপদ দাশকে উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মো. মহিউদ্দিন চৌধুরীর কাছে পাঠান। কাজটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন না করায় তিনি চেকে সই দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ সময় অফিস সহকারি হরিপদ তাকে বলেন ইউএনও নির্দেশ দিয়েছেন চেকটি স্বাক্ষর করার জন্য। কিন্তু তাতেও প্রকৌশলী রাজি হননি। পরে অফিস সহকারি চেক সই না দেয়ার কথা ইউএনও জসিম উদ্দিনকে জানান। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। তিনি সাথে আরও কয়েকজনকে নিয়ে প্রকৌশলীর কক্ষে গিয়ে নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে তাকে গ্রেফতারের আদেশ দেন। পরে তাকে ইউএনও’র কক্ষে নিয়ে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. আবু জাকির সেকান্দর বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। পরে মুচলেকা দিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মো. মহিউদ্দিন ছাড়া পান। এ ঘটনায় প্রকৌশলী নিজের ও তার বিভাগের কমপক্ষে ১০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, প্রকৌশলীকে আটকের বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী ও স্টাফরা। তারা ইউএনও’র বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। এদিকে বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে এলে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি রুল জারি করেন। এতে উক্ত প্রকৌশলীকে আইন অমান্য করে হাতকড়া পড়ানো ও গ্রেফতার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সাথে আগামী ৬ এপ্রিল ইউএনও জসিম উদ্দিনকে স্বশরিরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদিপক্ষের আইনজীবী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা আরেকজন সরকারি কর্মকর্তার সাথে এমন আচরণ করতে পারেননা। এটি যেমন আইন বিরোধী, তেমনি সরকারি চাকরি নীতিমালা পরিপন্থী।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com