বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বানিয়াচংয়ে ৯ ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা ॥ ২ বছরেও শুরু হয়নি বিচার শহীদ পরিবারে তীব্র ক্ষোভ দেউন্দি-রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ কেটে সাবাড় ॥ হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আজ “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস” এই আন্দোলনে হবিগঞ্জ জেলায় ১২ ছাত্র-জনতা ও পুলিশ প্রাণ হারান মাধবপুরে লোডশেডিং বিপর্যস্ত জনজীবন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হবিগঞ্জ জেলা শাখার নয়া কমিটি বানিয়াচঙ্গে শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ॥ আজকের কৃতিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউ.কে এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ ও বস্ত্র বিতরণ ইংল্যান্ড আলাল মহসিনের চুরি যাওয়া ২টি আইফোন ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার তেতৈয়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

মাধবপুরে শিশু শাহপরানের খুনিদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ৫৯৮ বা পড়া হয়েছে

রিফাত উদ্দিন, মাধবপুর থেকে ॥ মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের শিবজয় নগর গ্রামের ১ম শ্রেনীর স্কুল ছাত্র  শাহ পরানের খুনিদের ফাঁসির দাবীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাতপাড়িয়া এলাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। গতকাল শনিবার সকালে ওই এলাকার হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুরা প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন। মানববন্ধন শেষে শাহপুর বাজারে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাঘাসুরা ইউপি চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, হাজী সামসু মিয়া তালুকদার, ওয়াসিম তালুকদার, সামছুল আলম মেম্বার, রশিদ মিয়া মেম্বার, আবু কালাম মেম্বার, চান মিয়া সর্দার, জাহিদ মিয়া, নানু সর্দার, জসিম উদ্দিন, আজাহার মিয়া প্রমূখ। উল্লেখ্য, শিবজয় নগর গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া (২৫) ও তার সহযোগি বড়লেখা উপজেলার চাঁন গ্রাম ওরুপে আকুল নগরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেল মিয়া (২৫) ওরুপে কাটা রাশেল ৬ জানুয়ারী রাত প্রায় ৭টার দিকে সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে কৌশলে একই গ্রামের মোঃ সাবাস মিয়ার ছেলে মোঃ শাহ পরান (৭) কে অপহরন করে গ্রামের পাশে মাঠে নিয়ে যায়। কিন্তু শাহ পরান অপহরনকারী জালালকে চিনে ফেলায় দৃর্বৃত্তরা তাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ ডোবার পানির নিচে ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে রেখে জালাল বাড়ীতে চলে যায় এবং রাশেল হেটে দরগা গেইট গিয়ে গাড়ীতে উঠে বড়লেখা চলে যায়। পরদিন সকালে জালাল বড়লেখা গিয়ে রাশেলের সঙ্গে মিলিত হয়ে শাহপরানের কাছে মোবাইল ফোনে দু’লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।  এদিকে, শাহপরান অপহরন হওয়ার পর ৭ জানুয়ারী শাহপরানের পিতা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল ফোন নাম্বার টেকিং করে থানার এস.আই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোররাতে জালাল মিয়া ও রাশেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদের দেখানো মতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিবজয়নগর একটি ডোবায় পানির নিচে ঝোপজারের ভেতর থেকে শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে শাহপরানের পিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরদিন বুধবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট মোঃ তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ঘাতক রাশেল ও জালাল এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com