শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াপাড়া থেকে অপহৃত স্কুলছাত্র সিলেটে উদ্ধার নবীগঞ্জে বর্নাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন নবীগঞ্জে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম কাউন্সিল সম্পন্ন ॥ সভাপতি মাওঃ রুহুল আমিন সম্পাদক মাওঃ ওয়াজিদ আলী শহরে ৭ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার তেলবাহী লরির ট্যাংকার থেকে ৯২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্ততার ৩ সিলেট রেঞ্জের নতুন ডিআইজি জাহাঙ্গীর হোসেনের যোগদান মাধবপুরে চা বাগান থেকে বাচ্চা বানর উদ্ধার ॥ রঘুনন্দন রেঞ্জে অবমুক্ত স্বপ্ন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মাধবপুরে শিক্ষিকার বদলির প্রতিবাদে মানববন্ধন ॥ শিক্ষার্থীদের হট্টগোল সাংবাদিক আইয়ুব খানের মায়ের মৃত্যু

হবিগঞ্জে আউশ ও আমনের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সেমিনার

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৭ জুন, ২০১৭
  • ৫৪৪ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সিলেট অঞ্চলে শষ্যের নিবিড়তা প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জ জেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতির প্রভাব এবং আউশ ও আমনের উৎপাদন বৃদ্ধিতে করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালন ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক সাবিনা আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক এমরান হোসেন। তিনটি প্রবন্ধ সেমিনারে উপস্থাপন করেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা বশির আহমেদ, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এটিএম সাখাওয়াত হোসেন ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জসিম উদ্দিন।
কর্মশালায় জানানো হয়, এবছর যে আকষ্মিক বন্যা হয়েছে তা যদি নিয়মিতভাবে হতেই থাকে তাহলে কৃষিকে বাচাতে নতুন করে গবেষনা এবং কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এ বছর বন্যা হওয়ায় ধানের মূল্য বৃদ্ধি এবং অনুকূল পরিবেশ থাকায় আউশ আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলায় এ বছর ৪৫ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদ হয়েছে। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার ৩৩৫ হেক্টর।
কর্মশালায় আরও জানানো হয়, হবিগঞ্জ জেলায় রোপা আমন ও বোরো মৌসুমের মাঝে যে তিন মাস গ্যাপ থাকে ওই সময়ে ৬৯ হাজার হেক্টর জমি অব্যবহৃত থাকে। কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টায় বর্তমানে সেই জমির মধ্যে ২ হাজার হেক্টর আবাদের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। ওই গ্যাপ সময়ে স্বল্প ব্যয়ে আবাদ করা যায় এমন শস্য হিসাবে সরিষা আবাদ করা যেতে পারে। এর ফলে সরিষার এবং মধু উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি খইল, জ্বালানী ও মনোরম দৃশ্য অতিরিক্ত হিসাবে পাওয়া যাবে। জমির উৎপাদন ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।
কর্মশালায় আরও জানানো হয়, দেশে প্রতি বছর ১ শতাংশ আবাদী জমি হ্রাস পাচ্ছে। যথাযথ কৌশল প্রয়োগ করা না হলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে পড়ে যাবে।
কর্মশালায় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, অন্যান্য সরকারী বিভাগের প্রধান, পানিউন্নয়ন বোর্ড, বিএডিসির কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com