শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

নবীগঞ্জে শাহনাজ গুপ্ত হত্যা মামলা এখন ডিবিতে ॥ দীর্ঘ দেড় মাসেও অগ্রগতি নেই ॥ হতাশায় পরিবার

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ৫৭৮ বা পড়া হয়েছে

কিবরিয়া চৌধুরী, নবীগঞ্জ থেকে ॥ নবীগঞ্জের বোয়ালজুর গ্রামে শাহনাজ গুপ্ত হত্যার মূল রহস্য দীর্ঘ দেড় মাসেও উদঘাটন হয়নি। এনিয়ে শাহনাজের পরিবারে দেখা দিয়েছে হতাশা। গুপ্ত হত্যার দায়ে ৫জন আসামীর নাম উল্লেখ করে ও আরো ৪জনের নাম অজ্ঞাত রেখে নবীগঞ্জ থানায় শাহনাজের ভাই সাহিদ মিয়া মামলার দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সন্দেহজনকভাবে শাহনাজের পক্ষের লোক একই গ্রামের মৃত সাজিদ উল্লার পুত্র আজির উদ্দিনকে আউশকান্দি বাজার থেকে আটক করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। কিন্তু আজির অসুস্থ থাকার কারণে এখনও রিমান্ডে আনা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে হত্যা মামলাটি প্রায় দু’সপ্তাহ আগে হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের নিকট স্থানান্তর করা হয়েছে। ডিবি পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে মূল রহস্য উদঘাটন হবে বলে সচেতন মহল মনে করেন। এ ব্যাপারে শাহনাজের মা হুসনা বেগম ওরপে ময়না বিবি বলেন, আমার ছেলেকে পাষণ্ডরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ছেলে হত্যার দেড়মাস পেরিয়ে গেলেও আজও ছেলে হত্যার মূল আসামীরা এখনও ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ছেলে হত্যা মামলাটি এখন হবিগঞ্জ ডিবিতে রয়েছে শুনে আমি আশাবাদী, এখন মূল হোতারা ধরা পড়বে।
উল্লেখ্য যে, গত ৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের বোয়ালজুর গ্রামের ইউনুস মিয়ার পুত্র শাহনাজ (১৬)কে খেলার পোষ্টার লাগানোর বাহানা দিয়ে একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের পুত্র জসিম, সাজু, আব্দুল জলিলের পুত্র তুয়েল, আব্দুল রহিমের পুত্র ফরহাদ, মাসুক মিয়ার পুত্র খালেদ, সহ আরো ৪জন অজ্ঞাত লোক মিলে রাত ১০টায় তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এর পর থেকে শাহনাজ বাড়ি ফিরেনি। পর দিন সকালে শাহনাজের গলাকাটা লাশ গ্রামের পশ্চিমের কালিগঞ্জ নামক স্থানে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে।
এ ব্যাপারে নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার প্রথম কয়েকদিন পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে অহরহ অভিযান চালালেও পরে অভিযান থমকে যায়। পরে মামলাটি হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের নিকট স্থানান্তর করা হয়। মামলা ডিবিতে যাবার পর সচেতন মহল মনে করেন এখন মামলার সুষ্ঠু তদন্তে শাহনাজ হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন হবে এবং জড়িতরা আইনের আওতায় আসবেই। এব্যাপারে হবিগঞ্জ ডিবির ওসি আজমিরুজ্জামান এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ইতিমধ্যে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য উদঘাটন হয়েছে। ধৃত আসামি একজনকে রিমাণ্ডে আনা হলেও অপর জন অসুস্থ থাকায় সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com