শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

মানবতাবিরোধী অপরাধ \ নবীগঞ্জের আ.লীগ নেতা গোলাপ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
  • ৫৯৬ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার \ নবীগঞ্জ উপজেলার ১১নং গজনাইনপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের গোলাপের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। গত ৩১ জানুয়ারী হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের মাধ্যমে জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মোঃ মোক্তাদির হোসেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
অভিযোগে বলা হয়, নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইনপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের গোলাপ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। আবুল খায়েরের পিতা মতিউর রহমান ওরফে উমরা মিয়া একজন রাজাকার ছিলেন। ১৯৭১ সাথে মুক্তিযুদ্ধকালীন তিনি পাক-হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেন। তার সহযোগিতায় পাক হানাদার বাহিনী নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুর হাইস্কুলে ক্যাম্প স্থাপন করে। এ সময় তার পিতার সহযোগীতায় পাকা-হানাদার বাহিনী নীরিহ বাঙ্গালীর উপর নির্যাতন চালায় ও হত্যা করে। এ সময় আবুল খায়ের বয়স ছিল প্রায় ১৯ বছর। তার পিতার নির্দেশে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মিলিত হয়ে আবুল খায়ের গোলাপ নীরিহ লোকজনদের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও লুটপাট করে। অভিযোগে আরো উলে­খ করা হয়-স্বাধীনতার পূর্বে গোলাপ একজন স্বল্প আয়ের যুবক ছিলেন। কোন রকমে চলত তাদের অভাবের সংসার। কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের ভাগ্য বদলে দেয় পাক হানাদার বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে আবুল খায়ের গোলাপ স্থানীয় ব্যক্তিদের হত্যা করে তাদের সম্পত্তি দখল করে প্রচুর সম্পদের মালিক হন। ১৯৭২ সালে গোলাপের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উত্থপিত হয়। পরে নবীগঞ্জ থানা ও হবিগঞ্জ মহকুমা আদালতে মামলা দায়ের হয়। কিন্তু তৎকালীন সময়ে তার ক্ষমতার দাপটে কিছু কিছু অভিযোগ চাপা পড়ে যায়।
উলে­খ্য, ২০১৫ সালের ১৭ জুলাই তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে একই উপজেলার নিশাকুড়ি গ্রামের আছকির উল­ার ছেলে মো. মানিক মিয়া বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারকে নিদের্শ দেন। সে অনুসারে হবিগঞ্জ জেলার গোয়েন্দা শাখার ওসি মো. মোক্তাদির হোসেন দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com