মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ॥ আতঙ্কে এলাকাবাসী নবীগঞ্জে অধ্যক্ষ হুমায়ুনকে শোকজ টিউশন ফি নিয়ে টালবাহানা, সরকারি নির্দেশনা অমান্যসহ বিস্তর অভিযোগ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার ফনি ভুষন দাশ আর নেই নবীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে বসতঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো “গানে গানে জুলাই” শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠান বাহুবলে মাছের খামারে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার ॥ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা রিংগনকে হুমকিদাতা মানসিকভাবে অসুস্থ-পুলিশ র‌্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার ॥ স্কুলছাত্রী উদ্ধার

মাধবপুরে দালালদের নিয়ন্ত্রণে ব্যাংক কৃষি ঋণ পাচ্ছেননা প্রকৃত কৃষকরা

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৬
  • ৫৫৮ বা পড়া হয়েছে

মাধবপুর প্রতিনিধি \ মাধবপুরে ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণ করছেন একশ্রেণির দালাল। এতে করে প্রকৃত কৃষকরা ব্যাংক ঋণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মাধবপুর কৃষি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, তেলিয়াপাড়া কৃষি ব্যাংক, মনতলা কৃষি ব্যাংক, নোয়াপাড়া জনতা ব্যাংক ও মাধবপুর সোনালী ব্যাংকের চিত্র একই ধরণের। ভূক্তভোগী কৃষকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, ঋণ বিতরণের জন্য সরকারী নির্দেশ দেওয়া হলেও ব্যাংকের নির্ধারিত দালালদের মাধ্যমে অকৃষকদের ঋণ দেওয়া হচ্ছে। দালালরা ভূয়া কাগজপত্র সৃষ্টি করে অকৃষকদের ঋণ দেওয়ার কারণে ঋণ অনাদায়ি থেকে যাচ্ছে। এসব ব্যাংকগুলোতে কয়েক কোটি টাকার ঋণ অনাদায়ি পড়ে রয়েছে। শুধু তাগাদা পত্র নোটিশ দিয়েই দায়িত্ব শেষ করছেন ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা। যেনতেনভাবে ঋণ দেওয়ার কারণে সরকারী টাকা মাঠে পড়ে রয়েছে।  ব্যাংকের তদন্ত কর্মকর্তারা কৃষকদের ঋণ প্রস্তাব পেলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে জমি ও জমির কাগজপত্র এবং কৃষিকাজে ঋণ ব্যবহৃত হবে কি না এগুলোর সঠিক প্রমাণ পেলেই ঋণ বিতরণের কথা। কিন্তু দালালদের মাধ্যমে তদন্ত কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে কৃষক নন এমন ব্যক্তিদের ঋণ দেওয়া হচ্ছে। দালাল ছাড়া কোনো কৃষক সরাসরি ব্যাংকের লোকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে না। দালালকে বাদ দিয়ে কেউ ব্যাংকে গেলে নানা অজুহাতে তাদেরকে বিদায় করে দেয়া হয়। মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া, খাটুরা, শাহপুর এলাকায় শত শত মানুষের নামে আগের ঋণ রয়েছে। কিন্তু এগুলো আদায়ের জন্য ব্যাংক কর্মকর্তাদের কোনো মাথাব্যাথা নেই। এছাড়া মাধবপুর আলআরাফাহ, পূবালী, রূপালী, প্রাইম ও ব্র্যাক ব্যাংকগুলোতে কৃষি ঋণ বিতরণের জন্য সরকারী নির্দেশনা থাকলেও এসব প্রাইভেট ব্যাংকগুলো কৃষকদের মধ্যে কোনো কৃষি ঋণ বিতরণ করে না। মাধবপুর কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা সত্যনারায়ন দাস জানান, মাধবপুর কৃষি ব্যাংক শাখায় দেড় কোটি টাকা অনাদায়ি রয়েছে। এগুলো আদায়ের জন্য উপর থেকে চাপ রয়েছে। নোটিশ ও তাগাদা পত্র দেওয়া হচ্ছে। ঋণ বিতরণে সুনির্দিষ্ট কোনো অনিয়ম ও দূনীর্তির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com