সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থের অভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছে না দুলনের মরদেহ হবিগঞ্জে এনসিপির দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদলের নেতাদের জামিন লাভ হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে আসামী করে ছাত্রদল নেতার মামলা রুজু বাহুবলে শ্যামলী বাসের সাথে সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১ হবিগঞ্জ আদালতে কোর্ট ফি সংকট ॥ ভোগান্তি সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে ভোগান্তি শহরে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান ॥ আটক ১ শায়েস্তাগঞ্জে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ১ বাহুবলে দ্বৈত হত্যা মামলার আরও ১ আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার চুনারুঘাটে র‌্যাবের অভিযানে ৫২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

এমপি কেয়া চৌধুরীর গাড়ি চালক ও পিএসকে মারধোরের মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য র‌্যাবকে দায়িত্ব দিয়েছে আদালত

  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৫
  • ৬৪২ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার \ হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর গাড়ি চালক ও তার পিএসকে মারধোর করার ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে দায়েরকৃত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য র‌্যাবকে দায়িত্ব দিয়েছে আদালত। রবিবার হবিগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম হুমায়ুন কবির-এর আদালতে মামলার চার্জশীটের উপর বাদী সুরুজ মিয়ার নারাজি আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক উপরোক্ত আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ২৫ অক্টোবর দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরে এমপি কেয়া চৌধুরীর পুরান মুন্সেফী এলাকাস্থ ভাড়া বাসা সুরেন্দ্র ভবনের সামনের রাস্তায় কেয়া চৌধুরীকে নামিয়ে গাড়ি থেকে মালামাল বাসায় নিয়ে যাচ্ছিল গাড়ির চালক সুরুজ মিয়া। এ সময় অভিযুক্ত কয়ছর ও ফরহাদের সাথে রাস্তায় গাড়ি রাখা নিয়ে তার তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে কয়ছর ও ফরহাদসহ ৭/৮ জনের একদল যুবক তাকে মারপিট করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ সময় চালকের চিৎকার শুনে এমপি কেয়া চৌধুরীর পিএস এগিয়ে এলে তাকেও মারপিট করে হামলাকারীরা। এ পরিস্থিতিতে এমপি কেয়া চৌধুরী ঘটনাস্থলে ছুটে এসে হামলার দৃশ্য অবলোকন করেন। হামলার দৃশ্য দেখে এমপি কেয়া চৌধুরী বিষ্মিত হন। ঘটনার পরদিন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্রকে বিষয়টি অবগত করেন এমপি কেয়া চৌধুরী। ২৬ অক্টোবর রাতে এ ঘটনায় হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন এমপি কেয়া চৌধুরীর গাড়ি চালক সুরুজ মিয়া। মামলায় পুরান মুন্সেফী এলাকার মরহুম মছদ্দর আলীর পুত্র কয়ছর ও তার ভাই ফরহাদের নাম উলে­খ করে অজ্ঞাত ৮ জনকে আসামী করা হয়। মামলাটি দ্রুত বিচার আইনে রেকর্ডভূক্ত করেন সদর থানার ওসি। মামলাটি তদন্ত করেন সদর থানার এসআই কৃষ্ণমোহন দেবনাথ। তিনি তদন্ত শেষে ফরহাদের নাম বাদ দিয়ে কয়ছর ও গোলাম মোস্তফা নামে দুজনকে অভিযুক্ত করে গত ৩ নভেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। আসামী ফরহাদের নাম চার্জশীট থেকে বাদ দেয়ায় আদালতে নারাজি দিয়ে অধিকতর তদন্তের আবেদন করেন বাদী সুরুজ মিয়া। গত রোববার হবিগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম হুমায়ুন কবির বাদীর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অধিনায়ককে দায়িত্ব প্রদান করেন। বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব মোহিত আহমেদ চৌধুরী।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com