বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের দাফন সম্পন্ন খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আজাদ ॥ হবিগঞ্জ যেন কোনো বন্যায় প্লাবিত না হয় তার জন্য প্রকল্প গ্রহন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ নবীগঞ্জে মেরামতের ৩ মাসেই রাস্তার বেহাল দশা নবীগঞ্জ পৌরসভায় কোটি টাকার সরকারি যানবাহন অযত্নে নষ্ট নবীগঞ্জে মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার ॥ হত্যার অভিযোগ চুনারুঘাটে চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ভূমির অধিকারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিক বদরুল আলমের পিতার ইন্তেকাল ॥ শোক হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযান ॥ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার চুনারুঘাট আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির গণসংযোগ

প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী স্বপ্নের নগরী হবে হবিগঞ্জ ॥ রাস্তা নয়, যেন ফসলি জমি

  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৫
  • ৭৪৮ বা পড়া হয়েছে

এম এ আই সজিব ॥ প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী, স্বপ্নের নগরী হবে হবিগঞ্জ। এখানকার প্রকৃতি ও পরিবেশের মতোই সুন্দর ঝকঝকে হবে পুরো অঞ্চল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অন্যান্য অবকাঠামোর উন্নয়ন হবে চোখে পড়ার মতো। কিন্তু সেই প্রত্যাশায় কতটুকু পূরণ হয়েছে হবিগঞ্জবাসীর। আলোকিত শহর, আলোকিত হবিগঞ্জের স্বপ্ন এখনো কি অন্ধকারে, নাকি অনেকটাই পূরণ হয়েছে। স্থানীয়রা বলছে সেই প্রত্যাশা কিছুটা পূরণ হলেও অনেকটাই পূরণ হয়নি। শিক্ষা, চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেকটা প্রত্যাশা পূরণ হলেও ময়লা আবর্জনা আর অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার শহর এখনো রয়েই গেছে হবিগঞ্জ।
জেলার অধিকাংশ রাস্তা ঘাট এখন মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, জেলা শহরের ঘাটিয়া বাজার, চৌধুরী বাজার, বাণিজ্যিক এলাকা, পৌর বাস টার্মিনাল, ইনাতাবাদ, স্টাফ কোয়ার্টার সড়ক এবং উমেদনগর শিল্প এলাকাসহ আরো অনেক রাস্তার বেহাল অবস্থা। বহুদিন ধরে সংস্কার না করায় স্থানে স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে ছোট ছোট পুকুর তৈরী হয়ে যায়। এতে করে প্রতি নিয়তই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। অনেক স্থানে আবার জলের সাথে কাদা মিশে রাস্তার মধ্যেই ফসলি জমির সৃষ্টি হয়েছে।
চৌধুরী বাজারের ফল বিক্রেতা কবির মিয়া জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই এখানে জলা আর কাদায় একাকার হয়ে যায়। এতে করে এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী জনসাধারণের অনেক সমস্যা হয়ে থাকে। অথচ এই রাস্তাটি জেলার ৩টি উপজেলার এক মাত্র প্রবেশদ্বার।
বাস চালক সুলতান মিয়া জানান, রাস্তার মাঝখানে বড় বড় গর্ত হওয়ায় গাড়ি চালাতে অনেক সমস্যা হয়। তাছাড়া প্রতিদিনই গাড়ির ৫-৬ ¯িপ্রং ভেঙ্গে যায়। এতে করে আমাদের অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হয়।
সিএনজি চালক মাসুদ আহমেদ জানান, তিন চাকার ছোট গাড়ি হওয়ায় একটু ভুল চালালেই গর্তে পড়ে উল্টে যায়। এ ছাড়া বর্তমানে মহাসড়কে সিএনজি চলাচল নিষেধ হওয়ায় আমরা এখানে এসেও বিপাকে পড়েছি।
তিনি বলেন, সবসময় হতাশার মধ্যে গাড়ি চালাতে হয়, কখন জানি দুর্ঘটনা ঘটে। আমাদের জীবনের নিরাপত্তাও নেই।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com