শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর জশনে জুলুছে লাখো জনতার ঢল সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে হুইপ জি কে গউছ হবিগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস পালিত মাধবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁই ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় যুবক নিহত আশুগঞ্জে ভারতীয় চোরাই শাড়িসহ চুনারুঘাটের দুই যুবক গ্রেফতার নবীগঞ্জের পরিচিত মুখ মারুফ মিয়া আর নেই চুনারুঘাটে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস মাধবপুরে র‌্যাবের অভিযান ॥ বিপুল পরিমান এসকাফসহ নারী আটক

হবিগঞ্জ সদর বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও খাবার বিতরণ করলেন হুইপ জি কে গউছ

  • আপডেট টাইম শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ২৯ বা পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের চরহামুয়া-কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থ বন্যায় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জি কে গউছ।
তিনি গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) বাদ জুম্মা বন্যা কবলিত এলাকায় যান এবং ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের খোঁজখবর নেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে হুইপ জি কে গউছ বন্যার্থ মানুষের মধ্যে শুকনা খাবার বিতরণ করেন।
এ সময় হুইপ জি কে গউছ বলেন-বন্যাটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কোনো মানুষের পক্ষে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অতিবৃষ্টির ফলে উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে দুর্বল বাঁধ থাকার কারণে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। কয়েক হাজার পরিবার এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মীসহ সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। মানুষকে নিরাপদে সরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আল্লাহ্’র অশেষ রহমতে নদীর তীর ভেঙ্গে প্রচুর পানি প্রবেশ করা সত্ত্বেও কোনো প্রাণহানী ঘটেনি।
তিনি বলেন-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাতেই হবিগঞ্জে বন্যার বিষয়ে অবহিত হয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন বন্যার্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সচিব ও ডিজি স্বশরীরে হবিগঞ্জ আসছেন। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে আমরা বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ শুরু করেছি। যেগুলো দৃশ্যমান ক্ষতি হয়েছে সেগুলো আগে পূরণের উদ্যোগ নেয়া হবে। অনেক স্থানে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো দ্রুত সংস্কার করা হবে। এসব ক্ষতি পূরণের জন্য রাষ্ট্র যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন-খোয়াই নদী থেকে বালু উত্তোলন করার জন্য ইজারা দেয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। বালু উত্তোলন করে সরকারেরও টাকা কামানোর কোনো আগ্রহ নেই। যারাই অবৈধভাবে এই সুবিধা নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দলের যদি কেউ জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোনো অনৈতিক কাজের সাথে বিএনপির কেউ জড়িত থাকতে পারে না। আমরা জনগণকে ভালবাসি, জনগণের ভালবাসা নিয়েই আমরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে দায়িত্ব পালন করছি। কোনো বালু খেকো, দুস্কৃতিকারী, সুবিধাভোগী আমাদের বন্ধু হতে পারে না।
হুইপ জি কে গউছ বলেন-আমাদের এখন প্রধান কাজ হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধটি মেরামত করা। কালকে থেকেই আমরা সেই উদ্যোগ নেব। এই বাঁধ নির্মাণে যেন কোনো অনিয়ম না হয় এবং কেউ যাতে অন্যায় সুবিধা নিতে না পারে, সেই দিকে স্থানীয় জনগণকে সজাগ থাকার জন্য আমি অনুরোধ করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ, হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আবু জাহের প্রমুখ।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2021 HabiganjExpress.Com
Design and Development BY ThemesBazar.Com